দুই দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর মুন্সিগঞ্জের ধলেশ্বরী নদী থেকে নারায়ণগঞ্জ শহরের ২০ বছর বয়সী তরুণ শিশির কুমার বীরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার চরমুক্তারপুর এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মুক্তারপুর নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. আব্দুল মাবুদ জানান, দুপুর ২টার দিকে স্থানীয়রা মেট্রো সিমেন্ট কারখানা থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে ধলেশ্বরী নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত শিশির কুমার বীর নারায়ণগঞ্জ শহরের পালপাড়া এলাকার প্রয়াত বিপ্লব বীরের ছেলে। তিনি পরিবারের সঙ্গে ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত মঙ্গলবার রাতে কাউকে কিছু না জানিয়েই বাসা থেকে বের হয়ে যান শিশির। পরদিন সকালে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। তবে তিনি সঙ্গে নিজের মুঠোফোনটি নিয়ে যাননি; সেটি বাসাতেই রেখে গিয়েছিলেন।
নিহতের বড়বোন শুভ্রা বীর জানান, শিশির বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ২০২৫ সালে তিনি সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাস করেন। এর আগে এসএসসি পরীক্ষাতেও জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। এইচএসসিতেও তার ফলাফল ছিল জিপিএ-৫।
শিশিরের নিখোঁজের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান।
তিনি বলেন, মুক্তারপুর নৌপুলিশ শিশিরের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি জানালে পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। তবে এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো জিডি বা অভিযোগ করা হয়নি।
এদিকে শিশিরকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছেন তার পরিবারের সদস্যরা। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
মুক্তারপুর নৌপুলিশের এসআই আব্দুল মাবুদ জানান, মরদেহের শরীরে প্রাথমিকভাবে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
দুই দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর মুন্সিগঞ্জের ধলেশ্বরী নদী থেকে নারায়ণগঞ্জ শহরের ২০ বছর বয়সী তরুণ শিশির কুমার বীরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার চরমুক্তারপুর এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মুক্তারপুর নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. আব্দুল মাবুদ জানান, দুপুর ২টার দিকে স্থানীয়রা মেট্রো সিমেন্ট কারখানা থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে ধলেশ্বরী নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত শিশির কুমার বীর নারায়ণগঞ্জ শহরের পালপাড়া এলাকার প্রয়াত বিপ্লব বীরের ছেলে। তিনি পরিবারের সঙ্গে ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত মঙ্গলবার রাতে কাউকে কিছু না জানিয়েই বাসা থেকে বের হয়ে যান শিশির। পরদিন সকালে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। তবে তিনি সঙ্গে নিজের মুঠোফোনটি নিয়ে যাননি; সেটি বাসাতেই রেখে গিয়েছিলেন।
নিহতের বড়বোন শুভ্রা বীর জানান, শিশির বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ২০২৫ সালে তিনি সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাস করেন। এর আগে এসএসসি পরীক্ষাতেও জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। এইচএসসিতেও তার ফলাফল ছিল জিপিএ-৫।
শিশিরের নিখোঁজের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান।
তিনি বলেন, মুক্তারপুর নৌপুলিশ শিশিরের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি জানালে পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। তবে এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো জিডি বা অভিযোগ করা হয়নি।
এদিকে শিশিরকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছেন তার পরিবারের সদস্যরা। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
মুক্তারপুর নৌপুলিশের এসআই আব্দুল মাবুদ জানান, মরদেহের শরীরে প্রাথমিকভাবে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন