কাঁচপুরে গ্যাস বিস্ফোরণ: চারজনেরই মৃত্যু, সর্বশেষ মারা গেলেন কেয়ারটেকার রনি
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে একটি বাড়িতে গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনের কেউই শেষ পর্যন্ত বাঁচলেন না। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে মারা যান ওই বাড়ির কেয়ারটেকার রনি।
দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো অন্য তিনজন হলেন শরীফ, তাঁর স্ত্রী রোজিনা এবং রোজিনার ভাই রিয়াজ। তাঁদের মধ্যে শরীফ ও রোজিনা বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে মারা যান। একই দিন দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে মৃত্যু হয় রিয়াজের। পরদিন সকালে রনির মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এ ঘটনায় দগ্ধ চারজনের সবার মৃত্যু নিশ্চিত হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের পর আগুনে রোজিনার শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পুড়ে যায়। শরীফ ও রিয়াজের শরীরের ৪০ শতাংশ করে দগ্ধ হয়েছিল। আর রনির দগ্ধের পরিমাণ ছিল সবচেয়ে বেশি—তাঁর শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর অবস্থায় চারজনকেই ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে, কাঁচপুরের একটি বাড়িতে। প্রাথমিকভাবে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। এতে বাড়িটির বাসিন্দা শরীফ, তাঁর স্ত্রী রোজিনা, রোজিনার ভাই রিয়াজ এবং বাড়ির কেয়ারটেকার রনি দগ্ধ হন।
বিস্ফোরণের পর তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তবে শরীরের বড় অংশ পুড়ে যাওয়ায় তাঁদের অবস্থা গুরুতর ছিল। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসার মধ্যেও কাউকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
একটি গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে একই ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হওয়ায় কাঁচপুরের এ ঘটনা এলাকায় উদ্বেগ তৈরি করেছে।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
কাঁচপুরে গ্যাস বিস্ফোরণ: চারজনেরই মৃত্যু, সর্বশেষ মারা গেলেন কেয়ারটেকার রনি
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে একটি বাড়িতে গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনের কেউই শেষ পর্যন্ত বাঁচলেন না। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে মারা যান ওই বাড়ির কেয়ারটেকার রনি।
দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো অন্য তিনজন হলেন শরীফ, তাঁর স্ত্রী রোজিনা এবং রোজিনার ভাই রিয়াজ। তাঁদের মধ্যে শরীফ ও রোজিনা বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে মারা যান। একই দিন দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে মৃত্যু হয় রিয়াজের। পরদিন সকালে রনির মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এ ঘটনায় দগ্ধ চারজনের সবার মৃত্যু নিশ্চিত হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের পর আগুনে রোজিনার শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পুড়ে যায়। শরীফ ও রিয়াজের শরীরের ৪০ শতাংশ করে দগ্ধ হয়েছিল। আর রনির দগ্ধের পরিমাণ ছিল সবচেয়ে বেশি—তাঁর শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর অবস্থায় চারজনকেই ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে, কাঁচপুরের একটি বাড়িতে। প্রাথমিকভাবে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। এতে বাড়িটির বাসিন্দা শরীফ, তাঁর স্ত্রী রোজিনা, রোজিনার ভাই রিয়াজ এবং বাড়ির কেয়ারটেকার রনি দগ্ধ হন।
বিস্ফোরণের পর তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তবে শরীরের বড় অংশ পুড়ে যাওয়ায় তাঁদের অবস্থা গুরুতর ছিল। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসার মধ্যেও কাউকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
একটি গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে একই ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হওয়ায় কাঁচপুরের এ ঘটনা এলাকায় উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন