বি পি নিউজ ২৪

বন্দরের শীর্ষ মাদক ও নারী পাচার চক্রের হোতা অধরা, এলাকাবাসীর উদ্বেগ



বন্দরের শীর্ষ মাদক ও নারী পাচার চক্রের হোতা অধরা, এলাকাবাসীর উদ্বেগ
  স্টাফ রিপোর্টারঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন দক্ষিণ লক্ষণখোলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র মাদক ব্যবসা, নারী পাচার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, ওই এলাকার বাসিন্দা আশাবুদ্দিনের মেয়ে আইরিন সুলতানা ওরফে সাথি এবং তার স্বামী মোহাম্মদ ফারুক এই চক্রের মূল নিয়ন্ত্রক।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ ফারুক পেশায় ড্রাইভার হলেও তিনি তার সহযোগীদের নিয়ে কক্সবাজার ও টেকনাফ এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে থাকেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির মাধ্যমে তারা যুব ও তরুণ সমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।   এছাড়া আইরিন সুলতানা ও তার মা নুরবানু বেগমের বিরুদ্ধে অসহায় গৃহবধূ, তরুণী ও ভাসমান নারীদের আশ্রয় দেওয়ার নামে নিজ বাসভবনে রেখে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধ্য করার অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, এভাবে বহু অসহায় নারীর সম্ভ্রম ও জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   এলাকা সূত্রে আরও জানা যায়, আইরিন সুলতানার সঙ্গে এলাকার বিভিন্ন সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী, চোর ও অপরাধী চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তার ছোট ভাই রাকিব এলাকায় একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত বলে অভিযোগ রয়েছে।   নুরবানু বেগমের বিরুদ্ধে সিলেটের বিশ্বনাথ এলাকা থেকে এক শ্রমিকের ১৪ বছর বয়সী কিশোরীকে এনে গোপনে আটক রেখে অনৈতিক কাজে ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। একপর্যায়ে ওই কিশোরী নিখোঁজ হয়ে যায়, যার কোনো সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি বলে দাবি স্থানীয়দের।   সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—আইরিন সুলতানা প্রাথমিক শিক্ষার গণ্ডি অতিক্রম না করলেও নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে জেলা প্রশাসক, র‍্যাব, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি) ও থানার ওসিসহ বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।   এছাড়াও তার বিরুদ্ধে কিস্তি ও চক্রবৃদ্ধি সুদের ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এই সুদের ফাঁদে পড়ে অনেক মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে বাড়িঘর বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।   ভুক্তভোগী এলাকাবাসী অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইরিন সুলতানা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


বন্দরের শীর্ষ মাদক ও নারী পাচার চক্রের হোতা অধরা, এলাকাবাসীর উদ্বেগ

প্রকাশের তারিখ : ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image
  স্টাফ রিপোর্টারঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন দক্ষিণ লক্ষণখোলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র মাদক ব্যবসা, নারী পাচার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, ওই এলাকার বাসিন্দা আশাবুদ্দিনের মেয়ে আইরিন সুলতানা ওরফে সাথি এবং তার স্বামী মোহাম্মদ ফারুক এই চক্রের মূল নিয়ন্ত্রক।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ ফারুক পেশায় ড্রাইভার হলেও তিনি তার সহযোগীদের নিয়ে কক্সবাজার ও টেকনাফ এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে থাকেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির মাধ্যমে তারা যুব ও তরুণ সমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।   এছাড়া আইরিন সুলতানা ও তার মা নুরবানু বেগমের বিরুদ্ধে অসহায় গৃহবধূ, তরুণী ও ভাসমান নারীদের আশ্রয় দেওয়ার নামে নিজ বাসভবনে রেখে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধ্য করার অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, এভাবে বহু অসহায় নারীর সম্ভ্রম ও জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   এলাকা সূত্রে আরও জানা যায়, আইরিন সুলতানার সঙ্গে এলাকার বিভিন্ন সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী, চোর ও অপরাধী চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তার ছোট ভাই রাকিব এলাকায় একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত বলে অভিযোগ রয়েছে।   নুরবানু বেগমের বিরুদ্ধে সিলেটের বিশ্বনাথ এলাকা থেকে এক শ্রমিকের ১৪ বছর বয়সী কিশোরীকে এনে গোপনে আটক রেখে অনৈতিক কাজে ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। একপর্যায়ে ওই কিশোরী নিখোঁজ হয়ে যায়, যার কোনো সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি বলে দাবি স্থানীয়দের।   সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—আইরিন সুলতানা প্রাথমিক শিক্ষার গণ্ডি অতিক্রম না করলেও নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে জেলা প্রশাসক, র‍্যাব, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি) ও থানার ওসিসহ বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।   এছাড়াও তার বিরুদ্ধে কিস্তি ও চক্রবৃদ্ধি সুদের ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এই সুদের ফাঁদে পড়ে অনেক মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে বাড়িঘর বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।   ভুক্তভোগী এলাকাবাসী অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইরিন সুলতানা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ