নারায়ণগঞ্জের বন্দরে স্বর্ণের চেইন চুরির অভিযোগ তুলে এক গৃহপরিচারিকা ও তার চার মেয়েকে একটি বাসায় আটকে রেখে মারধর এবং নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে বাড়ির মালিক ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীরা হলেন গৃহপরিচারিকা সুফি বেগম (৪৫) এবং তার চার মেয়ে সুলতানা (২৫), সুমা (২৪), রুমানা (২৪) ও ঝর্না (১২)। ঘটনাটি শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বন্দর থানার সোনাকান্দা এনায়েতনগর এলাকায় ঘটে। এ ঘটনায় সুফি বেগম বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, সুফি বেগম দীর্ঘদিন ধরে এনায়েতনগর এলাকার মৃত আলী আজগর মিয়ার ছেলে শফিকুলের বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। গত ৩০ জুলাই ওই বাসা থেকে একটি স্বর্ণের চেইন হারিয়ে যাওয়ার পর শফিকুল ও তার ভাই মনির, আলমগীর এবং জাহাঙ্গীর তাকে সন্দেহ করেন। পরে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শনের পাশাপাশি ‘চালপড়া’ ও ‘আয়নাপড়া’র মাধ্যমে চুরির অভিযোগ স্বীকার করানোর চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য, শনিবার সন্ধ্যায় শফিকুল ফোন করে তাকে বাসায় ডাকেন। তিনি চার মেয়েকে নিয়ে সেখানে গেলে তাদের একটি কক্ষে প্রায় তিন ঘণ্টা আটকে রেখে মারধর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ছোট মেয়ে ঝর্নার বাম হাতের আঙুল ইলেকট্রনিক প্লাস দিয়ে চেপে আহত করা হয়। পরে জোরপূর্বক চুরির স্বীকারোক্তি আদায় করে তার ভিডিও ধারণের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে স্বর্ণের চেইন চুরির অভিযোগ তুলে এক গৃহপরিচারিকা ও তার চার মেয়েকে একটি বাসায় আটকে রেখে মারধর এবং নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে বাড়ির মালিক ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীরা হলেন গৃহপরিচারিকা সুফি বেগম (৪৫) এবং তার চার মেয়ে সুলতানা (২৫), সুমা (২৪), রুমানা (২৪) ও ঝর্না (১২)। ঘটনাটি শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বন্দর থানার সোনাকান্দা এনায়েতনগর এলাকায় ঘটে। এ ঘটনায় সুফি বেগম বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, সুফি বেগম দীর্ঘদিন ধরে এনায়েতনগর এলাকার মৃত আলী আজগর মিয়ার ছেলে শফিকুলের বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। গত ৩০ জুলাই ওই বাসা থেকে একটি স্বর্ণের চেইন হারিয়ে যাওয়ার পর শফিকুল ও তার ভাই মনির, আলমগীর এবং জাহাঙ্গীর তাকে সন্দেহ করেন। পরে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শনের পাশাপাশি ‘চালপড়া’ ও ‘আয়নাপড়া’র মাধ্যমে চুরির অভিযোগ স্বীকার করানোর চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য, শনিবার সন্ধ্যায় শফিকুল ফোন করে তাকে বাসায় ডাকেন। তিনি চার মেয়েকে নিয়ে সেখানে গেলে তাদের একটি কক্ষে প্রায় তিন ঘণ্টা আটকে রেখে মারধর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ছোট মেয়ে ঝর্নার বাম হাতের আঙুল ইলেকট্রনিক প্লাস দিয়ে চেপে আহত করা হয়। পরে জোরপূর্বক চুরির স্বীকারোক্তি আদায় করে তার ভিডিও ধারণের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন