নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু এবং ১৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আল-আমিন প্রধানের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব নিয়ে একে অপরকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নানান ধরনের কুটুক্তি ও সমালোচনাকে কেন্দ্র করে
বিষয়টি ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে “টক অব দ্য টাউন”-এ পরিণত হয়েছে।
সূত্র জানায়, আল-আমিন প্রধানের অফিসের সিকিউরিটি সায়েমকে কেন্দ্র করেই এই বিরোধের সূত্রপাত। সম্প্রতি আল-আমিন প্রধান ও সায়েম একে অপরের বিরুদ্ধে চুরি ও প্রতারণার অভিযোগ এনে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেন। এর জের ধরে সায়েমের পক্ষ নিয়ে টিপু আল-আমিন প্রধানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে এই বিরোধ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কটূক্তি বিনিময়ে রূপ নেয়।
এ বিষয়ে আল-আমিন প্রধান জানান, আমার অফিস সিকিউরিটি সায়েমকে দেখলাম নিজেকে ১৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির ক্রীয়া সম্পাদক দাবি করে পরিচয় দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করতে সে যে এই পরিচয়টি দিয়েছি এটি সম্পূর্ণ ভুয়া, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। এছাড়াও বিষয়টি এক পর্যায়ে মীমাংসার দিকে এগোচ্ছিল। তার দাবি, সাংবাদিক পারভেজ নামের এক ব্যক্তি মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেন এবং দুই পক্ষকে সমঝোতায় আনতে চেষ্টা করেন। প্রথমে অনাগ্রহী থাকলেও পরে আলোচনায় রাজি হন তিনি।
আল-আমিন প্রধানের ভাষ্য অনুযায়ী, পারভেজের মাধ্যমে টিপুর সঙ্গে যোগাযোগ হলে শর্ত দেওয়া হয় আল-আমিন প্রধানকে তার ফেসবুক থেকে টিপুকে নিয়ে করা সব পোস্ট মুছে ফেলতে হবে এবং ক্ষমা চাইতে হবে। বিনিময়ে টিপু গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে নিজের ভুল স্বীকার করে বিষয়টির অবসান ঘটাবেন বলে আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, “শর্ত অনুযায়ী আমি ফেসবুক থেকে সব পোস্ট ও মন্তব্য মুছে ফেলি। কিন্তু এরপরও টিপু তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি। ফলে মীমাংসার প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যায়।” এবং তারই এক সময়ের অফিস সিকিউরিটি সায়েম তাকে অনবরত হুমকি - ধমকি দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান আল-আমিন প্রধান।
এ ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের অনেকেই দ্রুত এই বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না হয়।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু এবং ১৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আল-আমিন প্রধানের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব নিয়ে একে অপরকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নানান ধরনের কুটুক্তি ও সমালোচনাকে কেন্দ্র করে
বিষয়টি ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে “টক অব দ্য টাউন”-এ পরিণত হয়েছে।
সূত্র জানায়, আল-আমিন প্রধানের অফিসের সিকিউরিটি সায়েমকে কেন্দ্র করেই এই বিরোধের সূত্রপাত। সম্প্রতি আল-আমিন প্রধান ও সায়েম একে অপরের বিরুদ্ধে চুরি ও প্রতারণার অভিযোগ এনে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেন। এর জের ধরে সায়েমের পক্ষ নিয়ে টিপু আল-আমিন প্রধানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে এই বিরোধ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কটূক্তি বিনিময়ে রূপ নেয়।
এ বিষয়ে আল-আমিন প্রধান জানান, আমার অফিস সিকিউরিটি সায়েমকে দেখলাম নিজেকে ১৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির ক্রীয়া সম্পাদক দাবি করে পরিচয় দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করতে সে যে এই পরিচয়টি দিয়েছি এটি সম্পূর্ণ ভুয়া, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। এছাড়াও বিষয়টি এক পর্যায়ে মীমাংসার দিকে এগোচ্ছিল। তার দাবি, সাংবাদিক পারভেজ নামের এক ব্যক্তি মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেন এবং দুই পক্ষকে সমঝোতায় আনতে চেষ্টা করেন। প্রথমে অনাগ্রহী থাকলেও পরে আলোচনায় রাজি হন তিনি।
আল-আমিন প্রধানের ভাষ্য অনুযায়ী, পারভেজের মাধ্যমে টিপুর সঙ্গে যোগাযোগ হলে শর্ত দেওয়া হয় আল-আমিন প্রধানকে তার ফেসবুক থেকে টিপুকে নিয়ে করা সব পোস্ট মুছে ফেলতে হবে এবং ক্ষমা চাইতে হবে। বিনিময়ে টিপু গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে নিজের ভুল স্বীকার করে বিষয়টির অবসান ঘটাবেন বলে আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, “শর্ত অনুযায়ী আমি ফেসবুক থেকে সব পোস্ট ও মন্তব্য মুছে ফেলি। কিন্তু এরপরও টিপু তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি। ফলে মীমাংসার প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যায়।” এবং তারই এক সময়ের অফিস সিকিউরিটি সায়েম তাকে অনবরত হুমকি - ধমকি দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান আল-আমিন প্রধান।
এ ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের অনেকেই দ্রুত এই বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না হয়।

আপনার মতামত লিখুন