নারায়ণগঞ্জ নগরীর পশ্চিম দেওভোগ এলাকায় তিনতলা ভবনের ছাদের দেয়াল ধসে পাশের টিনশেড ঘরে পড়ে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন শিশুটির মা। বুধবার (২৭ মে) সকালে ১৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুর নাম আরিয়ান। তার বাবা মো. জসিম পেশায় রেস্তোরাঁ কর্মী। পরিবারটি ভাড়া থাকত ওই টিনশেড বাসায়। তাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের সময় পাশের তিনতলা ভবনের ছাদের সাইড ওয়াল ভেঙে টিনশেড ঘরের ওপর পড়ে। তখন ঘরের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন মা খাদিজা ও শিশু আরিয়ান। দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে দুজনই গুরুতর আহত হন।
প্রথমে তাদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে শিশুটি মারা যায়। বর্তমানে মা খাদিজা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনের দেয়ালটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এর আগেও দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল বলে দাবি করেন তারা। বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করা হলেও ভবন সংশ্লিষ্টরা গুরুত্ব দেননি।
ভবনটির মালিক লন্ডনপ্রবাসী সরকার কামাল। তার অনুপস্থিতিতে ভবনটি দেখাশোনা করেন বড়ভাই সরকার হুমায়ূন কবির। তিনি স্বীকার করেছেন, দেয়ালটি নড়বড়ে ছিল এবং তা সরিয়ে ফেলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল।
সদর মডেল থানার ওসি সাজেদুর রহমান জানান, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ নগরীর পশ্চিম দেওভোগ এলাকায় তিনতলা ভবনের ছাদের দেয়াল ধসে পাশের টিনশেড ঘরে পড়ে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন শিশুটির মা। বুধবার (২৭ মে) সকালে ১৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুর নাম আরিয়ান। তার বাবা মো. জসিম পেশায় রেস্তোরাঁ কর্মী। পরিবারটি ভাড়া থাকত ওই টিনশেড বাসায়। তাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের সময় পাশের তিনতলা ভবনের ছাদের সাইড ওয়াল ভেঙে টিনশেড ঘরের ওপর পড়ে। তখন ঘরের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন মা খাদিজা ও শিশু আরিয়ান। দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে দুজনই গুরুতর আহত হন।
প্রথমে তাদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে শিশুটি মারা যায়। বর্তমানে মা খাদিজা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনের দেয়ালটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এর আগেও দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল বলে দাবি করেন তারা। বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করা হলেও ভবন সংশ্লিষ্টরা গুরুত্ব দেননি।
ভবনটির মালিক লন্ডনপ্রবাসী সরকার কামাল। তার অনুপস্থিতিতে ভবনটি দেখাশোনা করেন বড়ভাই সরকার হুমায়ূন কবির। তিনি স্বীকার করেছেন, দেয়ালটি নড়বড়ে ছিল এবং তা সরিয়ে ফেলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল।
সদর মডেল থানার ওসি সাজেদুর রহমান জানান, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন