বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আজ উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। বাংলাদেশে ঈদ পালিত হবে আগামীকাল। মুসলিম উম্মাহর জন্য এই দিনটি ত্যাগ, আনুগত্য ও তাকওয়ার এক মহান শিক্ষা বহন করে।
ঈদুল আজহার ইতিহাস জড়িয়ে আছে হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও তার পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর অসীম আত্মত্যাগের ঘটনার সঙ্গে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মহান আল্লাহ ইব্রাহীম (আ.)-কে পুত্রসন্তান ইসমাইল (আ.) দান করেন। পরে আল্লাহ তাকে সবচেয়ে প্রিয় জিনিস কোরবানি করার নির্দেশ দেন স্বপ্নের মাধ্যমে।
আল্লাহর নির্দেশ পালনে ইব্রাহীম (আ.) নিজের প্রিয় পুত্রকে কোরবানি করার প্রস্তুতি নেন। পুত্র ইসমাইল (আ.)-ও বিনা দ্বিধায় বাবার সিদ্ধান্ত মেনে নেন। ঠিক সেই মুহূর্তে মহান আল্লাহ ইসমাইল (আ.)-এর পরিবর্তে একটি দুম্বা পাঠিয়ে দেন। পবিত্র কুরআনের সূরা সাফফাতে এ ঘটনার বর্ণনা এসেছে।
ইসলামে কোরবানির প্রকৃত উদ্দেশ্য শুধু পশু জবাই নয়; বরং আত্মত্যাগ, আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং মনের পশুত্বকে দমন করা। কুরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহর কাছে কোরবানির গোশত বা রক্ত পৌঁছে না, বরং পৌঁছে মানুষের তাকওয়া ও একনিষ্ঠতা।
পবিত্র কুরআনের সূরা মায়িদাতেও উল্লেখ করা হয়েছে, আল্লাহ কেবল মুত্তাকিদের কোরবানি কবুল করেন। তাই কোরবানির মূল শিক্ষা হলো আত্মশুদ্ধি, খোদাভীতি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা।
মহান আল্লাহ যেন সবাইকে একনিষ্ঠতার সঙ্গে কোরবানির বিধান পালনের তৌফিক দান করেন। আমিন।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আজ উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। বাংলাদেশে ঈদ পালিত হবে আগামীকাল। মুসলিম উম্মাহর জন্য এই দিনটি ত্যাগ, আনুগত্য ও তাকওয়ার এক মহান শিক্ষা বহন করে।
ঈদুল আজহার ইতিহাস জড়িয়ে আছে হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও তার পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর অসীম আত্মত্যাগের ঘটনার সঙ্গে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মহান আল্লাহ ইব্রাহীম (আ.)-কে পুত্রসন্তান ইসমাইল (আ.) দান করেন। পরে আল্লাহ তাকে সবচেয়ে প্রিয় জিনিস কোরবানি করার নির্দেশ দেন স্বপ্নের মাধ্যমে।
আল্লাহর নির্দেশ পালনে ইব্রাহীম (আ.) নিজের প্রিয় পুত্রকে কোরবানি করার প্রস্তুতি নেন। পুত্র ইসমাইল (আ.)-ও বিনা দ্বিধায় বাবার সিদ্ধান্ত মেনে নেন। ঠিক সেই মুহূর্তে মহান আল্লাহ ইসমাইল (আ.)-এর পরিবর্তে একটি দুম্বা পাঠিয়ে দেন। পবিত্র কুরআনের সূরা সাফফাতে এ ঘটনার বর্ণনা এসেছে।
ইসলামে কোরবানির প্রকৃত উদ্দেশ্য শুধু পশু জবাই নয়; বরং আত্মত্যাগ, আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং মনের পশুত্বকে দমন করা। কুরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহর কাছে কোরবানির গোশত বা রক্ত পৌঁছে না, বরং পৌঁছে মানুষের তাকওয়া ও একনিষ্ঠতা।
পবিত্র কুরআনের সূরা মায়িদাতেও উল্লেখ করা হয়েছে, আল্লাহ কেবল মুত্তাকিদের কোরবানি কবুল করেন। তাই কোরবানির মূল শিক্ষা হলো আত্মশুদ্ধি, খোদাভীতি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা।
মহান আল্লাহ যেন সবাইকে একনিষ্ঠতার সঙ্গে কোরবানির বিধান পালনের তৌফিক দান করেন। আমিন।

আপনার মতামত লিখুন