নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফের চাল বিতরণ নিয়ে ওঠা অনিয়মের অভিযোগের জবাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পিংকি আক্তার। সোমবার (২৫ মে) তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, সকল মেম্বারদের সঙ্গে আলোচনা করেই কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পিংকি আক্তার বলেন, “আমি এনসিপি, জামায়াত ও বিএনপির লোকজনকে বেশি কার্ড দিয়েছি। এরপর মেম্বারদের ৮টি করে কার্ড দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আমি একা নিইনি, সব মেম্বারদের নিয়েই সিদ্ধান্ত হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “একজন মেম্বার আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। আমি মেম্বার হওয়ার পর থেকেই সে আমার বিরুদ্ধে লেগে আছে। এখন আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পর তার শরীর আরও বেশি জ্বলছে।”
এদিকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সোহান গাজী নামে একজন মন্তব্য করে বলেন, “আপনি রাজনৈতিক দলের লোকদের সাথে করে কেনো ভিজিএফ কার্ড বণ্টন করবেন? প্রতিটা ওয়ার্ডে ১-২ জন করে জনপ্রতিনিধি বা মেম্বার রয়েছে। সবকিছু তাদের নিয়ে আলোচনা ও বণ্টন করা উচিত ছিল। আপনি কেন রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এসব কার্যক্রম পরিচালনা করে অনিয়মের সমালোচনায় পড়ছেন?”
এর আগে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন সদস্য অভিযোগ করেন, সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়ম করা হয়েছে। অনেক মেম্বারকে মাত্র ৮টি করে কার্ড দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে ইউনিয়নজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
উল্লেখ্য, গত ৭ মে বক্তাবলী ইউনিয়নের জন্য ২ হাজার ৯৯০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। ১০ কেজি করে মোট ২৯৯টি কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের মাঝে এই চাল বিতরণের কথা ছিল।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফের চাল বিতরণ নিয়ে ওঠা অনিয়মের অভিযোগের জবাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পিংকি আক্তার। সোমবার (২৫ মে) তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, সকল মেম্বারদের সঙ্গে আলোচনা করেই কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পিংকি আক্তার বলেন, “আমি এনসিপি, জামায়াত ও বিএনপির লোকজনকে বেশি কার্ড দিয়েছি। এরপর মেম্বারদের ৮টি করে কার্ড দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আমি একা নিইনি, সব মেম্বারদের নিয়েই সিদ্ধান্ত হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “একজন মেম্বার আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। আমি মেম্বার হওয়ার পর থেকেই সে আমার বিরুদ্ধে লেগে আছে। এখন আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পর তার শরীর আরও বেশি জ্বলছে।”
এদিকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সোহান গাজী নামে একজন মন্তব্য করে বলেন, “আপনি রাজনৈতিক দলের লোকদের সাথে করে কেনো ভিজিএফ কার্ড বণ্টন করবেন? প্রতিটা ওয়ার্ডে ১-২ জন করে জনপ্রতিনিধি বা মেম্বার রয়েছে। সবকিছু তাদের নিয়ে আলোচনা ও বণ্টন করা উচিত ছিল। আপনি কেন রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এসব কার্যক্রম পরিচালনা করে অনিয়মের সমালোচনায় পড়ছেন?”
এর আগে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন সদস্য অভিযোগ করেন, সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়ম করা হয়েছে। অনেক মেম্বারকে মাত্র ৮টি করে কার্ড দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে ইউনিয়নজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
উল্লেখ্য, গত ৭ মে বক্তাবলী ইউনিয়নের জন্য ২ হাজার ৯৯০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। ১০ কেজি করে মোট ২৯৯টি কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের মাঝে এই চাল বিতরণের কথা ছিল।

আপনার মতামত লিখুন