নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়ন-এর সামাজিক ও শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে হতাশা ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বক্তাবলি ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন-এর সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান ফকির।
সোমবার (১১ মে) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে বক্তাবলী নিয়ে লেখালেখি না করলেও এলাকার প্রতি ভালোবাসা তাকে বারবার টেনে আনে। তবে বর্তমানে ভালো কাজ করতেও নানা বিতর্কের মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পোস্টে মতিউর রহমান ফকির লেখেন, অতীতে বক্তাবলি ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের মাধ্যমে ব্যাপক সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হলেও সময়ের সঙ্গে সংগঠনের ভেতরে কিছু ব্যক্তি সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন এবং পরে বিভিন্নভাবে সংগঠনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তবুও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে সংগঠনটি তার অতীতের গৌরব ফিরে পাবে।
তিনি আরও বলেন, এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বহু বছর ধরে কাজ করেছেন এবং বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত খোঁজখবর রেখেছেন। তার দাবি, একসময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিছু গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতির আংশিক পরিবর্তন এসেছে। তবে শিক্ষার গুণগত মানে প্রত্যাশিত উন্নতি হয়নি।
পোস্টে বিশেষভাবে কানাইনগর ছোবহানীয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ-এর নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় শিক্ষানুরাগী স্নাতকদের মধ্য থেকে আহ্বায়ক মনোনয়নের সুযোগ থাকলেও অজ্ঞাত কারণে একজন সরকারি কর্মকর্তার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন বহিরাগত সরকারি কর্মকর্তার নেতৃত্বে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ গঠিত হলে স্থানীয় মানুষের আবেগ ও প্রত্যাশা কতটা প্রতিফলিত হবে।
ফেসবুক পোস্টের শেষে মতিউর রহমান ফকির জানান, এটি তার ধারাবাহিক লেখার প্রথম পর্ব এবং পরবর্তী পর্বে আরও বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরবেন।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়ন-এর সামাজিক ও শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে হতাশা ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বক্তাবলি ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন-এর সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান ফকির।
সোমবার (১১ মে) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে বক্তাবলী নিয়ে লেখালেখি না করলেও এলাকার প্রতি ভালোবাসা তাকে বারবার টেনে আনে। তবে বর্তমানে ভালো কাজ করতেও নানা বিতর্কের মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পোস্টে মতিউর রহমান ফকির লেখেন, অতীতে বক্তাবলি ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের মাধ্যমে ব্যাপক সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হলেও সময়ের সঙ্গে সংগঠনের ভেতরে কিছু ব্যক্তি সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন এবং পরে বিভিন্নভাবে সংগঠনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তবুও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে সংগঠনটি তার অতীতের গৌরব ফিরে পাবে।
তিনি আরও বলেন, এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বহু বছর ধরে কাজ করেছেন এবং বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত খোঁজখবর রেখেছেন। তার দাবি, একসময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিছু গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতির আংশিক পরিবর্তন এসেছে। তবে শিক্ষার গুণগত মানে প্রত্যাশিত উন্নতি হয়নি।
পোস্টে বিশেষভাবে কানাইনগর ছোবহানীয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ-এর নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় শিক্ষানুরাগী স্নাতকদের মধ্য থেকে আহ্বায়ক মনোনয়নের সুযোগ থাকলেও অজ্ঞাত কারণে একজন সরকারি কর্মকর্তার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন বহিরাগত সরকারি কর্মকর্তার নেতৃত্বে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ গঠিত হলে স্থানীয় মানুষের আবেগ ও প্রত্যাশা কতটা প্রতিফলিত হবে।
ফেসবুক পোস্টের শেষে মতিউর রহমান ফকির জানান, এটি তার ধারাবাহিক লেখার প্রথম পর্ব এবং পরবর্তী পর্বে আরও বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরবেন।

আপনার মতামত লিখুন