বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জে নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ মে) দুপুরে ফতুল্লার একটি রেস্তোরাঁয় সংগঠনটির জেলা শাখার আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, ‘মুর্দাবাদ-জিন্দাবাদ’ ও দলীয় বিভাজনের রাজনীতি চলতে থাকলে আইনজীবীরা সস্তা রাজনীতির যাঁতাকলে পিষ্ট হবেন।
তিনি বলেন, একসময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে দলভিত্তিক প্যানেল ছিল না। যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতেই সভাপতি ও সেক্রেটারি নির্বাচিত হতেন। কিন্তু রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে সুপ্রিম কোর্ট বারের মর্যাদা ও গুরুত্ব কমে গেছে।
শিশির মনির বলেন, একসময় সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি হিসেবে খন্দকার মাহবুব হোসেন, রফিক-উল হক ও আমির-উল ইসলামের বক্তব্য জাতীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিত। কারণ তখন সুপ্রিম কোর্ট বারকে স্বাধীন বিচার বিভাগের প্রতীক হিসেবে দেখা হতো। বর্তমানে সেই অবস্থান অনেকটাই ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো সরকার অসাংবিধানিক কাজ করলে সুপ্রিম কোর্ট বারের দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার কথা। কিন্তু এখন আইনজীবীদের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে।
নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশে শিশির মনির বলেন, আইন পেশার মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে হলে পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে এবং সত্য কথা বলতে হবে, তা নিজের দলের বিরুদ্ধেও গেলেও। তিনি বলেন, “দল যদি অসাংবিধানিক কাজ করে, তাহলে স্পষ্টভাবে বলতে হবে—ওয়ার্ক টেকেন বাই পার্টিকুলার পার্টি ইজ আনকনস্টিটিউশনাল।”
অনুষ্ঠানে তিনি সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও ভারতের ইন্দিরা গান্ধীর আমলের একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে আইনজীবীদের নীতিগত অবস্থানে অটল থাকার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. মাইনউদ্দিন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও মহানগরের সাবেক আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মমিনুল হক সরকার, মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার, সেক্রেটারি মনোয়ার হোসাইন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক ট্রেজারার এ হাফিজ মোল্লা এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য আজিম উদ্দিন পাটোয়ারীসহ অন্যান্যরা।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জে নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ মে) দুপুরে ফতুল্লার একটি রেস্তোরাঁয় সংগঠনটির জেলা শাখার আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, ‘মুর্দাবাদ-জিন্দাবাদ’ ও দলীয় বিভাজনের রাজনীতি চলতে থাকলে আইনজীবীরা সস্তা রাজনীতির যাঁতাকলে পিষ্ট হবেন।
তিনি বলেন, একসময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে দলভিত্তিক প্যানেল ছিল না। যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতেই সভাপতি ও সেক্রেটারি নির্বাচিত হতেন। কিন্তু রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে সুপ্রিম কোর্ট বারের মর্যাদা ও গুরুত্ব কমে গেছে।
শিশির মনির বলেন, একসময় সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি হিসেবে খন্দকার মাহবুব হোসেন, রফিক-উল হক ও আমির-উল ইসলামের বক্তব্য জাতীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিত। কারণ তখন সুপ্রিম কোর্ট বারকে স্বাধীন বিচার বিভাগের প্রতীক হিসেবে দেখা হতো। বর্তমানে সেই অবস্থান অনেকটাই ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো সরকার অসাংবিধানিক কাজ করলে সুপ্রিম কোর্ট বারের দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার কথা। কিন্তু এখন আইনজীবীদের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে।
নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশে শিশির মনির বলেন, আইন পেশার মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে হলে পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে এবং সত্য কথা বলতে হবে, তা নিজের দলের বিরুদ্ধেও গেলেও। তিনি বলেন, “দল যদি অসাংবিধানিক কাজ করে, তাহলে স্পষ্টভাবে বলতে হবে—ওয়ার্ক টেকেন বাই পার্টিকুলার পার্টি ইজ আনকনস্টিটিউশনাল।”
অনুষ্ঠানে তিনি সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও ভারতের ইন্দিরা গান্ধীর আমলের একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে আইনজীবীদের নীতিগত অবস্থানে অটল থাকার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. মাইনউদ্দিন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও মহানগরের সাবেক আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মমিনুল হক সরকার, মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার, সেক্রেটারি মনোয়ার হোসাইন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক ট্রেজারার এ হাফিজ মোল্লা এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য আজিম উদ্দিন পাটোয়ারীসহ অন্যান্যরা।

আপনার মতামত লিখুন