নারায়ণগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বিএনপির মধ্যে হাট-ঘাটের ইজারা নিয়ে নীরব সমঝোতার কথা উঠেছে। আলোচনা রয়েছে, ফতুল্লা থানা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নমনীয় অবস্থানের কারণে একের পর এক ইজারা প্রক্রিয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সম্প্রতি ফতুল্লা ও সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট, ঘাট ও পশুর হাটের দরপত্রকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে বিএনপি ও এনসিপির নেতারা একাধিক বৈঠকে বসেন। এসব বৈঠকে নির্দিষ্ট কিছু হাট বিএনপি নিয়ন্ত্রণে রাখার বিনিময়ে এনসিপির নেতাদের আর্থিক অংশীদারত্ব দেওয়ার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে বলে জানা যায়।
সবশেষ নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ১৩টি পশুর হাটের ইজারা নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে বোঝাপড়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ১৯ মে দরপত্র জমা দেওয়ার দিন কোনো ধরনের উত্তেজনা বা সংঘর্ষ না হওয়ায় বিষয় দেখা যায় ।
বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কোরবানির পশুর হাটগুলোকে ঘিরে আগে থেকেই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও নেতারা। ফলে ইজারা হাতছাড়া হলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। এ অবস্থায় দরপত্র জমা দেওয়ার আগেই এনসিপির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সমঝোতায় পৌঁছানো হয় বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকটি হাটের আয় থেকে ১০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অংশ দেওয়ার শর্তে সমঝোতা সম্পন্ন হয়।
তবে সব ক্ষেত্রে সমঝোতা হয়নি। গত ২১ এপ্রিল বক্তাবলীর রাজাপুর খেয়াঘাটের দরপত্র জমা দেওয়ার সময় বিএনপি, এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থিত পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হন।
সাম্প্রতিক এসব ঘটনা নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রকাশ্য সংঘাত এড়িয়ে আর্থিক ও রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে বিভিন্ন ইজারা নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে।
যদিও বিএনপির নেতাদের দাবি, তারা সংঘাত এড়াতে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতেই সমঝোতার পথ বেছে নিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বিএনপির মধ্যে হাট-ঘাটের ইজারা নিয়ে নীরব সমঝোতার কথা উঠেছে। আলোচনা রয়েছে, ফতুল্লা থানা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নমনীয় অবস্থানের কারণে একের পর এক ইজারা প্রক্রিয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সম্প্রতি ফতুল্লা ও সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট, ঘাট ও পশুর হাটের দরপত্রকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে বিএনপি ও এনসিপির নেতারা একাধিক বৈঠকে বসেন। এসব বৈঠকে নির্দিষ্ট কিছু হাট বিএনপি নিয়ন্ত্রণে রাখার বিনিময়ে এনসিপির নেতাদের আর্থিক অংশীদারত্ব দেওয়ার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে বলে জানা যায়।
সবশেষ নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ১৩টি পশুর হাটের ইজারা নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে বোঝাপড়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ১৯ মে দরপত্র জমা দেওয়ার দিন কোনো ধরনের উত্তেজনা বা সংঘর্ষ না হওয়ায় বিষয় দেখা যায় ।
বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কোরবানির পশুর হাটগুলোকে ঘিরে আগে থেকেই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও নেতারা। ফলে ইজারা হাতছাড়া হলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। এ অবস্থায় দরপত্র জমা দেওয়ার আগেই এনসিপির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সমঝোতায় পৌঁছানো হয় বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকটি হাটের আয় থেকে ১০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অংশ দেওয়ার শর্তে সমঝোতা সম্পন্ন হয়।
তবে সব ক্ষেত্রে সমঝোতা হয়নি। গত ২১ এপ্রিল বক্তাবলীর রাজাপুর খেয়াঘাটের দরপত্র জমা দেওয়ার সময় বিএনপি, এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থিত পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হন।
সাম্প্রতিক এসব ঘটনা নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রকাশ্য সংঘাত এড়িয়ে আর্থিক ও রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে বিভিন্ন ইজারা নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে।
যদিও বিএনপির নেতাদের দাবি, তারা সংঘাত এড়াতে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতেই সমঝোতার পথ বেছে নিচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন