কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদে খেলাফত মজলিস মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং দলের নারায়ণগঞ্জ মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদ সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, "দেশে একের পর এক ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড ঘটছে, অথচ অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। অনেক অপরাধীর নামে ১০ থেকে ১৫টি পর্যন্ত মামলা থাকা সত্ত্বেও তারা জামিনে বের হয়ে আবার নতুন করে অপরাধ করছে। ব্রিটিশরা ২০০ বছর শাসন করে এই উপমহাদেশের বিচারব্যবস্থাকে গোলামীর জিঞ্জিরে আবদ্ধ করে গেছে। তাদের আইন অকার্যকর ও মানবজাতির জন্য ক্ষতিকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। "
তিনি আরও বলেন, " আল্লাহর দেওয়া আইন হলো দোষ প্রমাণিত হলে প্রকাশ্যে শাস্তি কার্যকর করা। জনগণ এই দাবি জানালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যযুগীয় বর্বরতার কথা বলে একে কটাক্ষ করেন। আমরা বলতে চাই, মুসলমানদের দেশে আল্লাহর আইনকে কটাক্ষ করলে তা বরদাশত করা হবেনা। আল্লাহর দেওয়া আইন যদি দেশে কার্যকর করা হতো এবং অপরাধীদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতো, তবে দেশে আর একটিও ধর্ষণের সাহস কেউ পেত না।" তিনি অবিলম্বে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। একই সাথে তিনি কাশীপুর এলাকায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তারও তীব্র সমালোচনা করেন।
২৩ মে ২০২৬, শনিবার বিকালে খেলাফত মজলিস কাশীপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে কাশীপুর বড় মসজিদের সামনে মুন্সীগঞ্জ-পঞ্চবটী সড়কে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধনে খেলাফত মজলিস ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সাধারণ জনতা অংশ নেন।
খেলাফত মজলিস কাশীপুর ইউনিয়ন সভাপতি ও কাশীপুর ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার পদপ্রার্থী আসিফ ইকবালের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন- ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাইদুল ইসলাম, আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা কাউসার হুসাইন, খেলাফত মজলিসের মহানগর প্রচার সম্পাদক মুফতী তৌফিক বিন হারিছ, ফতুল্লা থানা সহ-সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, ইসলামী যুব মজলিসের জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফেজ শরীফ হোসাইন, কাশীপুর ৩নং ওয়ার্ড সভাপতি ডাঃ মাওলানা মাসুম শরীফ, ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী জামাল হোসাইন, ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী হাশেম সিকদার, ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী আনোয়ার হুসাইন, প্রমুখ।
ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাইদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, "ধর্ষণের মতো অপরাধ আজ স্পষ্ট, কিন্তু এর কোনো সঠিক বিচার হচ্ছে না। কারণ, রাজনৈতিক দলগুলো এই সমস্ত অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। রাজনীতিতে অপরাধীদের এই অপব্যবহার বন্ধ না হলে দেশ থেকে অপরাধ দূর করা সম্ভব নয়।"
আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা কাউসার হুসাইন বলেন, "বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও এখনও এখানে ব্রিটিশদের তৈরি পুরোনো ও দুর্বল আইনে বিচার ব্যবস্থা চলছে। এই আইনের দুর্বলতার কারণেই দেশে একের পর এক লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে।" তিনি সকল অপরাধের সুষ্ঠু বিচার এবং সমাজে শান্তি শৃঙ্খলার স্বার্থে শরিয়া আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সবাইকে খেলাফত মজলিসের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদে খেলাফত মজলিস মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং দলের নারায়ণগঞ্জ মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদ সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, "দেশে একের পর এক ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড ঘটছে, অথচ অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। অনেক অপরাধীর নামে ১০ থেকে ১৫টি পর্যন্ত মামলা থাকা সত্ত্বেও তারা জামিনে বের হয়ে আবার নতুন করে অপরাধ করছে। ব্রিটিশরা ২০০ বছর শাসন করে এই উপমহাদেশের বিচারব্যবস্থাকে গোলামীর জিঞ্জিরে আবদ্ধ করে গেছে। তাদের আইন অকার্যকর ও মানবজাতির জন্য ক্ষতিকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। "
তিনি আরও বলেন, " আল্লাহর দেওয়া আইন হলো দোষ প্রমাণিত হলে প্রকাশ্যে শাস্তি কার্যকর করা। জনগণ এই দাবি জানালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যযুগীয় বর্বরতার কথা বলে একে কটাক্ষ করেন। আমরা বলতে চাই, মুসলমানদের দেশে আল্লাহর আইনকে কটাক্ষ করলে তা বরদাশত করা হবেনা। আল্লাহর দেওয়া আইন যদি দেশে কার্যকর করা হতো এবং অপরাধীদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতো, তবে দেশে আর একটিও ধর্ষণের সাহস কেউ পেত না।" তিনি অবিলম্বে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। একই সাথে তিনি কাশীপুর এলাকায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তারও তীব্র সমালোচনা করেন।
২৩ মে ২০২৬, শনিবার বিকালে খেলাফত মজলিস কাশীপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে কাশীপুর বড় মসজিদের সামনে মুন্সীগঞ্জ-পঞ্চবটী সড়কে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধনে খেলাফত মজলিস ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সাধারণ জনতা অংশ নেন।
খেলাফত মজলিস কাশীপুর ইউনিয়ন সভাপতি ও কাশীপুর ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার পদপ্রার্থী আসিফ ইকবালের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন- ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাইদুল ইসলাম, আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা কাউসার হুসাইন, খেলাফত মজলিসের মহানগর প্রচার সম্পাদক মুফতী তৌফিক বিন হারিছ, ফতুল্লা থানা সহ-সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, ইসলামী যুব মজলিসের জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফেজ শরীফ হোসাইন, কাশীপুর ৩নং ওয়ার্ড সভাপতি ডাঃ মাওলানা মাসুম শরীফ, ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী জামাল হোসাইন, ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী হাশেম সিকদার, ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী আনোয়ার হুসাইন, প্রমুখ।
ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাইদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, "ধর্ষণের মতো অপরাধ আজ স্পষ্ট, কিন্তু এর কোনো সঠিক বিচার হচ্ছে না। কারণ, রাজনৈতিক দলগুলো এই সমস্ত অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। রাজনীতিতে অপরাধীদের এই অপব্যবহার বন্ধ না হলে দেশ থেকে অপরাধ দূর করা সম্ভব নয়।"
আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা কাউসার হুসাইন বলেন, "বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও এখনও এখানে ব্রিটিশদের তৈরি পুরোনো ও দুর্বল আইনে বিচার ব্যবস্থা চলছে। এই আইনের দুর্বলতার কারণেই দেশে একের পর এক লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে।" তিনি সকল অপরাধের সুষ্ঠু বিচার এবং সমাজে শান্তি শৃঙ্খলার স্বার্থে শরিয়া আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সবাইকে খেলাফত মজলিসের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন