বি পি নিউজ ২৪

প্রিপেইড মিটারে জনগণের ভোগান্তি, পোস্টপেইডের দাবি


প্রকাশ : ১০ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

প্রিপেইড মিটারে জনগণের ভোগান্তি, পোস্টপেইডের দাবি

নারায়ণগঞ্জে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার নিয়ে গ্রাহকদের অসন্তোষ দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে শীতলক্ষ্যার পূর্বাঞ্চলে এ ব্যবস্থার আওতায় থাকা ভুক্তভোগীরা নানা ধরনের জটিলতা ও দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে আবারও পোস্টপেইড মিটার চালুর দাবি জানাচ্ছেন।

লেখক ফরিদ আহমেদ রবির মতে, উন্নত সেবা ও সহজ বিল পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রিপেইড মিটার চালু করা হলেও বাস্তবে অনেক গ্রাহককে বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ কার্যকর হওয়ায় মিটার আপডেটের জন্য দীর্ঘ ২২০ সংখ্যার টোকেন ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টদের কাছ থেকে পাওয়া এই দীর্ঘ টোকেন নম্বর মিটারে একে একে প্রবেশ করাতে গিয়ে সামান্য ভুল হলেই পুরো প্রক্রিয়া আবার শুরু করতে হয়। পরপর তিনবার ভুল করলে মিটার লক হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও তৈরি হচ্ছে।

লেখাটিতে আরও বলা হয়েছে, অনেক পুরোনো প্রিপেইড মিটারের বাটন ঠিকমতো কাজ করে না। ফলে নিয়মিত রিচার্জ করতেও গ্রাহকদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আবার মিটারের ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং নতুন ব্যাটারি প্রতিস্থাপনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।

লেখকের দাবি, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব যেখানে রিচার্জ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে ব্যাটারি পরিবর্তন করবে। কিন্তু এসব সুবিধা বাস্তবে কার্যকর না হওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

এ পরিস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জের পশ্চিমাঞ্চলেও প্রিপেইড মিটার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। তাদের মতে, বিদ্যমান সমস্যার সমাধান না করে নতুন এলাকায় এই ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা ঠিক হবে না। বরং প্রয়োজন হলে পূর্বাঞ্চলে স্থাপিত প্রিপেইড সংযোগগুলোও আবার পোস্টপেইড ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।

লেখকের ভাষ্য, গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কার্যকর সমাধান না হলে ভবিষ্যতে জনঅসন্তোষ আরও বাড়তে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


প্রিপেইড মিটারে জনগণের ভোগান্তি, পোস্টপেইডের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার নিয়ে গ্রাহকদের অসন্তোষ দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে শীতলক্ষ্যার পূর্বাঞ্চলে এ ব্যবস্থার আওতায় থাকা ভুক্তভোগীরা নানা ধরনের জটিলতা ও দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে আবারও পোস্টপেইড মিটার চালুর দাবি জানাচ্ছেন।

লেখক ফরিদ আহমেদ রবির মতে, উন্নত সেবা ও সহজ বিল পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রিপেইড মিটার চালু করা হলেও বাস্তবে অনেক গ্রাহককে বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ কার্যকর হওয়ায় মিটার আপডেটের জন্য দীর্ঘ ২২০ সংখ্যার টোকেন ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টদের কাছ থেকে পাওয়া এই দীর্ঘ টোকেন নম্বর মিটারে একে একে প্রবেশ করাতে গিয়ে সামান্য ভুল হলেই পুরো প্রক্রিয়া আবার শুরু করতে হয়। পরপর তিনবার ভুল করলে মিটার লক হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও তৈরি হচ্ছে।

লেখাটিতে আরও বলা হয়েছে, অনেক পুরোনো প্রিপেইড মিটারের বাটন ঠিকমতো কাজ করে না। ফলে নিয়মিত রিচার্জ করতেও গ্রাহকদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আবার মিটারের ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং নতুন ব্যাটারি প্রতিস্থাপনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।

লেখকের দাবি, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব যেখানে রিচার্জ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে ব্যাটারি পরিবর্তন করবে। কিন্তু এসব সুবিধা বাস্তবে কার্যকর না হওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

এ পরিস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জের পশ্চিমাঞ্চলেও প্রিপেইড মিটার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। তাদের মতে, বিদ্যমান সমস্যার সমাধান না করে নতুন এলাকায় এই ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা ঠিক হবে না। বরং প্রয়োজন হলে পূর্বাঞ্চলে স্থাপিত প্রিপেইড সংযোগগুলোও আবার পোস্টপেইড ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।

লেখকের ভাষ্য, গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কার্যকর সমাধান না হলে ভবিষ্যতে জনঅসন্তোষ আরও বাড়তে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।


বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ