নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় কথিত চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে সাইনবোর্ড পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১১টায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের সাইনবোর্ড মোড়ে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন সাইনবোর্ড পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা মো. খোকন সানি।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মালিক ও শ্রমিকরা অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ, পরিবহন খাতে নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত এবং অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকার পরিবর্তনের পর একটি চক্র সাইনবোর্ড এলাকায় বিভিন্ন পরিবহন থেকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, সিএনজি অটোরিকশা, লেগুনাসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করা হয়। মালিক-শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে তারা ব্যর্থ হলেও এখনও বিভিন্নভাবে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা এবং মালিক-শ্রমিকদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
তারা আরও বলেন, এ ধরনের চাঁদাবাজি পরিবহন খাতের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে এবং সাধারণ যাত্রীদেরও ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
বিক্ষোভ শেষে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করেন অংশগ্রহণকারীরা। একই সঙ্গে দাবি পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় কথিত চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে সাইনবোর্ড পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১১টায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের সাইনবোর্ড মোড়ে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন সাইনবোর্ড পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা মো. খোকন সানি।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মালিক ও শ্রমিকরা অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ, পরিবহন খাতে নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত এবং অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকার পরিবর্তনের পর একটি চক্র সাইনবোর্ড এলাকায় বিভিন্ন পরিবহন থেকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, সিএনজি অটোরিকশা, লেগুনাসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করা হয়। মালিক-শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে তারা ব্যর্থ হলেও এখনও বিভিন্নভাবে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা এবং মালিক-শ্রমিকদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
তারা আরও বলেন, এ ধরনের চাঁদাবাজি পরিবহন খাতের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে এবং সাধারণ যাত্রীদেরও ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
বিক্ষোভ শেষে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করেন অংশগ্রহণকারীরা। একই সঙ্গে দাবি পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন