নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের ডিক্রিরচর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেখে ফেলায় দুই ব্যক্তির ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে চার সদস্যের একটি ডাকাত দলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুইজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ডাকাত দলের একজনকে আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৭ জুলাই (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৩টার মধ্যে ডিক্রিরচর খেয়াঘাট এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে এক ব্যক্তি তাদের পরিচয় জানতে চান। এ সময় চার সদস্যের ওই দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে আরও একজনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
একপর্যায়ে হামলার শিকার ও আশপাশের লোকজন প্রতিরোধ গড়ে তুললে ডাকাত দলের তিন সদস্য পালিয়ে যায়। তবে একজনকে ঘটনাস্থলেই আটক করতে সক্ষম হন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে এসে আটক ব্যক্তিকে গণধোলাই দেন।
হামলার শিকার এক ব্যক্তি বলেন, "আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। না হলে আজ আমি লাশ হয়ে থাকতাম। আপনারা আমাকে লাশ হিসেবেই দেখতে পেতেন।"
এলাকাবাসীর দাবি, আটক ব্যক্তি নিজের পরিচয় সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছিলেন। কখনো তিনি রিকাবীবাজার, কখনো মুক্তারপুর, আবার কখনো অন্য এলাকার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। ফলে তার প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের ডিক্রিরচর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেখে ফেলায় দুই ব্যক্তির ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে চার সদস্যের একটি ডাকাত দলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুইজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ডাকাত দলের একজনকে আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৭ জুলাই (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৩টার মধ্যে ডিক্রিরচর খেয়াঘাট এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে এক ব্যক্তি তাদের পরিচয় জানতে চান। এ সময় চার সদস্যের ওই দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে আরও একজনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
একপর্যায়ে হামলার শিকার ও আশপাশের লোকজন প্রতিরোধ গড়ে তুললে ডাকাত দলের তিন সদস্য পালিয়ে যায়। তবে একজনকে ঘটনাস্থলেই আটক করতে সক্ষম হন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে এসে আটক ব্যক্তিকে গণধোলাই দেন।
হামলার শিকার এক ব্যক্তি বলেন, "আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। না হলে আজ আমি লাশ হয়ে থাকতাম। আপনারা আমাকে লাশ হিসেবেই দেখতে পেতেন।"
এলাকাবাসীর দাবি, আটক ব্যক্তি নিজের পরিচয় সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছিলেন। কখনো তিনি রিকাবীবাজার, কখনো মুক্তারপুর, আবার কখনো অন্য এলাকার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। ফলে তার প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন