নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সীমানা সম্প্রসারণ নিয়ে আয়োজিত গণশুনানিতে মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেছেন, রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে আগের সময়ে ফতুল্লা ও গোগনগরকে সিটি করপোরেশনের আওতায় আনা হয়নি।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত নাসিকের সীমানা বর্ধিতকরণ-সংক্রান্ত গণশুনানিতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এতে ফতুল্লা, কুতুবপুর, এনায়েতনগর, কাশীপুর ও গোগনগর ইউনিয়নের বাসিন্দারা তাদের মতামত তুলে ধরেন।
টিপু বলেন, বিগত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় ফতুল্লা ও গোগনগরকে সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তার দাবি, এসব এলাকায় বিএনপির সমর্থন বেশি থাকায় তৎকালীন প্রভাবশালী মহল পরিকল্পিতভাবে বিষয়টি আটকে রেখেছিল।
তিনি বলেন, বর্তমানে সেই পরিস্থিতি নেই। জেলা প্রশাসক সব ধরনের জটিলতা কাটিয়ে জনগণের প্রত্যাশার পক্ষে ইতিবাচক প্রতিবেদন দেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মহানগর বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রস্তাবিত পাঁচটি ইউনিয়নে কৃষিজমির পরিমাণ খুবই কম, তবে রয়েছে বিপুল সংখ্যক শিল্পপ্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো ও সরকারি স্থাপনা। সিটি করপোরেশনে যুক্ত হওয়ার জন্য এসব এলাকার প্রয়োজনীয় যোগ্যতা রয়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যেও এর পক্ষে সমর্থন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার স্বার্থে অতীতে এসব এলাকাকে সিটি করপোরেশনের আওতায় আনা হয়নি।
জেলা প্রশাসকের উদ্দেশে টিপু বলেন, ফতুল্লা থানার চারটি ইউনিয়ন ও সদর থানার একটি ইউনিয়ন সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হলে এটি নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হবে। জনগণ যেন সিটি করপোরেশনের নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশনের পরিধি বড় হলে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের পরিধিও বাড়ানো সম্ভব। শিল্পসমৃদ্ধ এসব এলাকাকে দ্রুত নাসিকের আওতায় এনে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সীমানা সম্প্রসারণ নিয়ে আয়োজিত গণশুনানিতে মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেছেন, রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে আগের সময়ে ফতুল্লা ও গোগনগরকে সিটি করপোরেশনের আওতায় আনা হয়নি।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত নাসিকের সীমানা বর্ধিতকরণ-সংক্রান্ত গণশুনানিতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এতে ফতুল্লা, কুতুবপুর, এনায়েতনগর, কাশীপুর ও গোগনগর ইউনিয়নের বাসিন্দারা তাদের মতামত তুলে ধরেন।
টিপু বলেন, বিগত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় ফতুল্লা ও গোগনগরকে সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তার দাবি, এসব এলাকায় বিএনপির সমর্থন বেশি থাকায় তৎকালীন প্রভাবশালী মহল পরিকল্পিতভাবে বিষয়টি আটকে রেখেছিল।
তিনি বলেন, বর্তমানে সেই পরিস্থিতি নেই। জেলা প্রশাসক সব ধরনের জটিলতা কাটিয়ে জনগণের প্রত্যাশার পক্ষে ইতিবাচক প্রতিবেদন দেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মহানগর বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রস্তাবিত পাঁচটি ইউনিয়নে কৃষিজমির পরিমাণ খুবই কম, তবে রয়েছে বিপুল সংখ্যক শিল্পপ্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো ও সরকারি স্থাপনা। সিটি করপোরেশনে যুক্ত হওয়ার জন্য এসব এলাকার প্রয়োজনীয় যোগ্যতা রয়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যেও এর পক্ষে সমর্থন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার স্বার্থে অতীতে এসব এলাকাকে সিটি করপোরেশনের আওতায় আনা হয়নি।
জেলা প্রশাসকের উদ্দেশে টিপু বলেন, ফতুল্লা থানার চারটি ইউনিয়ন ও সদর থানার একটি ইউনিয়ন সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হলে এটি নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হবে। জনগণ যেন সিটি করপোরেশনের নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশনের পরিধি বড় হলে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের পরিধিও বাড়ানো সম্ভব। শিল্পসমৃদ্ধ এসব এলাকাকে দ্রুত নাসিকের আওতায় এনে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন