জুলাইয়ের চেতনায় ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বক্তব্যের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আহতদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন। তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ ও আহতদের ত্যাগের কারণে একটি নতুন বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। শহীদ পরিবার ও আহতরা কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়, তারা পুরো দেশের জাতীয় সম্পদ।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল এমন একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে কোনো নাগরিক অন্যায়, নিপীড়ন, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের শিকার হবে না। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই জুলাইয়ের চেতনার মূল দাবি।
অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন আরও বলেন, শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের চেয়ে বড় দায়িত্ব হলো একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
শেষে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
জুলাইয়ের চেতনায় ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বক্তব্যের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আহতদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন। তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ ও আহতদের ত্যাগের কারণে একটি নতুন বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। শহীদ পরিবার ও আহতরা কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়, তারা পুরো দেশের জাতীয় সম্পদ।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল এমন একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে কোনো নাগরিক অন্যায়, নিপীড়ন, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের শিকার হবে না। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই জুলাইয়ের চেতনার মূল দাবি।
অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন আরও বলেন, শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের চেয়ে বড় দায়িত্ব হলো একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
শেষে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন