সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে রূপগঞ্জে এক নারীকে ডেকে এনে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে উপজেলার বরপা শান্তিনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (‘গ’ সার্কেল) মেহেদী ইসলাম।
পুলিশ জানায়, মামলার বাদী ২৯ বছর বয়সী ওই নারী মুন্সিগঞ্জ সদর এলাকার বাসিন্দা। তিনি রূপগঞ্জ থানায় সাতজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—বরপা শান্তিনগর এলাকার প্রয়াত সাহেদ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন (২২), একই এলাকার মো. নাছিরের স্ত্রী রুনা (২৭) এবং মো. মোমেনের স্ত্রী পপি (৩০)।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলমগীরের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে রূপগঞ্জে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন আলমগীর। এরপর বিয়ে না করেই তাকে বিভিন্ন জায়গায় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়ে রাখতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলায় আরও বলা হয়, আলমগীরের সহযোগী শাওন (২৫), শুভ (২২), মোস্তফা (২৮) ও জীবন (১৯) ওই নারীর ওপর যৌন নির্যাতন চালান। সর্বশেষ ২২ আগস্ট আরও দুই নারী অভিযুক্তের সহযোগিতায় তাকে নির্যাতন করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
একপর্যায়ে ওই নারীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা শুরু করে।
মামলার অপর আসামিরা হলেন—রহিমের ছেলে শাওন, প্রয়াত রনির ছেলে শুভ, আলী আকবরের ছেলে মোস্তফা এবং রওশন আলীর ছেলে জীবন। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, মামলায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে রূপগঞ্জে এক নারীকে ডেকে এনে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে উপজেলার বরপা শান্তিনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (‘গ’ সার্কেল) মেহেদী ইসলাম।
পুলিশ জানায়, মামলার বাদী ২৯ বছর বয়সী ওই নারী মুন্সিগঞ্জ সদর এলাকার বাসিন্দা। তিনি রূপগঞ্জ থানায় সাতজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—বরপা শান্তিনগর এলাকার প্রয়াত সাহেদ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন (২২), একই এলাকার মো. নাছিরের স্ত্রী রুনা (২৭) এবং মো. মোমেনের স্ত্রী পপি (৩০)।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলমগীরের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে রূপগঞ্জে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন আলমগীর। এরপর বিয়ে না করেই তাকে বিভিন্ন জায়গায় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়ে রাখতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলায় আরও বলা হয়, আলমগীরের সহযোগী শাওন (২৫), শুভ (২২), মোস্তফা (২৮) ও জীবন (১৯) ওই নারীর ওপর যৌন নির্যাতন চালান। সর্বশেষ ২২ আগস্ট আরও দুই নারী অভিযুক্তের সহযোগিতায় তাকে নির্যাতন করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
একপর্যায়ে ওই নারীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা শুরু করে।
মামলার অপর আসামিরা হলেন—রহিমের ছেলে শাওন, প্রয়াত রনির ছেলে শুভ, আলী আকবরের ছেলে মোস্তফা এবং রওশন আলীর ছেলে জীবন। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, মামলায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন