নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি বসতবাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকারের একটি অংশ, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও ঘর ভাঙার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। একই অভিযানে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যানও জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, ২৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ১০ মিনিটের মধ্যে রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নগরপাড়া এলাকায় এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই এলাকার একটি পাকা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ১০ থেকে ১২ জনের মুখোশধারী দল প্রবেশ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ডাকাতরা বাড়ির প্রধান কাঠের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে গৃহকর্তা, তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেকে জিম্মি করে। পরে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে স্টিলের আলমারির লকার ভেঙে নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং গৃহকর্তার দাবি অনুযায়ী প্রায় ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
ঘটনার পর বিষয়টি জানতে পেরে ডাকাতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. মেহেদী ইসলাম এবং রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গাউছিয়া-ভুলতা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে একটি পিকআপ ভ্যানসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের হেফাজতে থাকা মালামাল ও বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মোট ৬ ভরি ৯ আনা ৫ রতি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও ঘর ভাঙার সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—নরসিংদীর মাধবদী থানার বিরামপুর এলাকার শাহিন ওরফে শামীম (৪৮), কুমিল্লার হোমনা থানার ওপারচর এলাকার মো. শরীফ (৩৯), নরসিংদী সদর এলাকার খিদিরপুরের হৃদয় দাস (৩০), মাধবদী থানার বগিরাতপুর এলাকার মো. তামজিদ মিয়া (৪০) এবং একই থানার দিঘীরপাড় এলাকার মো. শামীম (৪০)।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারের পর ভুক্তভোগী গৃহকর্তা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা থানায় উপস্থিত হয়ে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় একটি ডাকাতির মামলা করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও যারা পলাতক রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ডাকাতি, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি বসতবাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকারের একটি অংশ, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও ঘর ভাঙার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। একই অভিযানে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যানও জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, ২৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ১০ মিনিটের মধ্যে রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নগরপাড়া এলাকায় এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই এলাকার একটি পাকা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ১০ থেকে ১২ জনের মুখোশধারী দল প্রবেশ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ডাকাতরা বাড়ির প্রধান কাঠের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে গৃহকর্তা, তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেকে জিম্মি করে। পরে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে স্টিলের আলমারির লকার ভেঙে নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং গৃহকর্তার দাবি অনুযায়ী প্রায় ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
ঘটনার পর বিষয়টি জানতে পেরে ডাকাতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. মেহেদী ইসলাম এবং রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গাউছিয়া-ভুলতা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে একটি পিকআপ ভ্যানসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের হেফাজতে থাকা মালামাল ও বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মোট ৬ ভরি ৯ আনা ৫ রতি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও ঘর ভাঙার সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—নরসিংদীর মাধবদী থানার বিরামপুর এলাকার শাহিন ওরফে শামীম (৪৮), কুমিল্লার হোমনা থানার ওপারচর এলাকার মো. শরীফ (৩৯), নরসিংদী সদর এলাকার খিদিরপুরের হৃদয় দাস (৩০), মাধবদী থানার বগিরাতপুর এলাকার মো. তামজিদ মিয়া (৪০) এবং একই থানার দিঘীরপাড় এলাকার মো. শামীম (৪০)।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারের পর ভুক্তভোগী গৃহকর্তা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা থানায় উপস্থিত হয়ে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় একটি ডাকাতির মামলা করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও যারা পলাতক রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ডাকাতি, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন