নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বুড়িগঙ্গা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর ফাতেমা আক্তার (১০) নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের লঞ্চঘাটসংলগ্ন ধলেশ্বরী নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ধলেশ্বরী নদীতে কচুরিপানার মধ্যে মরদেহটি ভাসতে দেখে উদ্ধার করে মুক্তারপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।
ফাতেমা নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কুতুবপুর ইউনিয়নের শিয়াচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা শাহীন মিয়া এবং মা নাজমা বেগম।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ অক্টোবর স্কুল ছুটির পর দুই বান্ধবীর সঙ্গে পাশের বুড়িগঙ্গা নদীতে গোসল করতে যায় ফাতেমা। একপর্যায়ে তার দুই বান্ধবী নদী থেকে উঠে এলেও ফাতেমা নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন, তবে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় ফাতেমার নানী হাসেন বানু ফতুল্লা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর নিখোঁজের তিন দিন পর ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক ১৫ থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে মুন্সিগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
উদ্ধারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যসহ বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি ফাতেমার বলে শনাক্ত করেন। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
ময়নাতদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বুড়িগঙ্গা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর ফাতেমা আক্তার (১০) নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের লঞ্চঘাটসংলগ্ন ধলেশ্বরী নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ধলেশ্বরী নদীতে কচুরিপানার মধ্যে মরদেহটি ভাসতে দেখে উদ্ধার করে মুক্তারপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।
ফাতেমা নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কুতুবপুর ইউনিয়নের শিয়াচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা শাহীন মিয়া এবং মা নাজমা বেগম।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ অক্টোবর স্কুল ছুটির পর দুই বান্ধবীর সঙ্গে পাশের বুড়িগঙ্গা নদীতে গোসল করতে যায় ফাতেমা। একপর্যায়ে তার দুই বান্ধবী নদী থেকে উঠে এলেও ফাতেমা নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন, তবে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় ফাতেমার নানী হাসেন বানু ফতুল্লা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর নিখোঁজের তিন দিন পর ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক ১৫ থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে মুন্সিগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
উদ্ধারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যসহ বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি ফাতেমার বলে শনাক্ত করেন। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
ময়নাতদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন