রিপন হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জামায়াত নেতা আবদুল জব্বারের
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে যুবদল নেতা রিপন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার। তিনি এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে আবদুল জব্বার বলেন, রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করছেন। রাজনৈতিক বিরোধের কারণে সহিংসতা ও প্রাণহানি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে রূপগঞ্জের ভোলাবো ইউনিয়নের পাইস্কা এলাকায় নিজের বাড়ির সামনে রিপনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। রিপন ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন। তিনি পাইস্কা এলাকার মহিবুল্লার ছেলে।
হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গে আবদুল জব্বার বলেন, “নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও ভাগ-বাটোয়ারা কেন্দ্র করে দলাদলি ও কোন্দলে একটি প্রাণ ঝরে গেল, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিএনপি যেখানে মুখে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এর কথা বলছে, সেখানে বাস্তবে নিজেদের ভাগ-বাটোয়ারা ও আধিপত্য বজায় রাখতে গিয়ে নিজেদের সহকর্মীদের জীবন কেড়ে নিচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় বা বিরোধকে কেন্দ্র করে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
রিপন হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জামায়াত নেতা আবদুল জব্বারের
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে যুবদল নেতা রিপন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার। তিনি এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে আবদুল জব্বার বলেন, রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করছেন। রাজনৈতিক বিরোধের কারণে সহিংসতা ও প্রাণহানি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে রূপগঞ্জের ভোলাবো ইউনিয়নের পাইস্কা এলাকায় নিজের বাড়ির সামনে রিপনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। রিপন ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন। তিনি পাইস্কা এলাকার মহিবুল্লার ছেলে।
হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গে আবদুল জব্বার বলেন, “নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও ভাগ-বাটোয়ারা কেন্দ্র করে দলাদলি ও কোন্দলে একটি প্রাণ ঝরে গেল, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিএনপি যেখানে মুখে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এর কথা বলছে, সেখানে বাস্তবে নিজেদের ভাগ-বাটোয়ারা ও আধিপত্য বজায় রাখতে গিয়ে নিজেদের সহকর্মীদের জীবন কেড়ে নিচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় বা বিরোধকে কেন্দ্র করে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন