ফতুল্লায় হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পঞ্চবটীতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে সন্তান প্রসব করাতে গিয়ে সুমা আক্তার (৩৫) নামে এক অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালটির বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলেছেন স্বজনেরা। একই ঘটনায় গর্ভের শিশুটিও মারা গেছে বলে জানা গেছে।
স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে প্রসবের জন্য সুমা আক্তারকে পঞ্চবটীর ‘মেরি স্টার’ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা করা হলে গর্ভেই শিশুটির মৃত্যু হয়। এরপর সুমার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাঁরও মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিলন ফকির জানান, ঘটনার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্তৃপক্ষকে সেখানে পাওয়া যায়নি। রাত ৭টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে যায়। তখন সেখানে একজন ওয়ার্ড বয় ছাড়া আর কাউকে পাওয়া যায়নি।
পুলিশ আরও জানায়, সুমা আক্তারের স্বামী ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নেওয়ার জন্য লিখিত আবেদন করেছেন।
ঘটনাটি ঘিরে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে ভুল চিকিৎসার অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফল বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ফতুল্লায় হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পঞ্চবটীতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে সন্তান প্রসব করাতে গিয়ে সুমা আক্তার (৩৫) নামে এক অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালটির বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলেছেন স্বজনেরা। একই ঘটনায় গর্ভের শিশুটিও মারা গেছে বলে জানা গেছে।
স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে প্রসবের জন্য সুমা আক্তারকে পঞ্চবটীর ‘মেরি স্টার’ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা করা হলে গর্ভেই শিশুটির মৃত্যু হয়। এরপর সুমার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাঁরও মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিলন ফকির জানান, ঘটনার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্তৃপক্ষকে সেখানে পাওয়া যায়নি। রাত ৭টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে যায়। তখন সেখানে একজন ওয়ার্ড বয় ছাড়া আর কাউকে পাওয়া যায়নি।
পুলিশ আরও জানায়, সুমা আক্তারের স্বামী ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নেওয়ার জন্য লিখিত আবেদন করেছেন।
ঘটনাটি ঘিরে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে ভুল চিকিৎসার অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফল বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন