নারায়ণগঞ্জ সদরের বক্তাবলী খেয়াঘাটের ইজারা ঘিরে দরপত্র জমা দিতে গিয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সোমবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। দরপত্র জমাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হতে থাকেন। পরে উত্তেজনা বাড়তে বাড়তে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খেয়াঘাটটির ইজারা পাওয়ার জন্য বিএনপির পাশাপাশি জামায়াত ও এনসিপির অনুসারীরাও আগ্রহী ছিলেন। এ কারণে সকাল থেকেই উপজেলা পরিষদ এলাকায় তাদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। বিএনপির পক্ষ থেকে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটুর অনুসারীরা সেখানে অবস্থান নেন। একইসঙ্গে বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে জেলা এনসিপির আহ্বায়ক জুবাইর আহমেদ সরদার ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম তাদের অনুসারীদের নিয়ে সেখানে যান। এ সময় স্থানীয় জামায়াতের নেতাদেরও উপস্থিতি দেখা যায়।
অভিযোগ রয়েছে, দুপুরের দিকে জামায়াত ও এনসিপির কর্মীরা দরপত্র জমা দিতে গেলে বিএনপির কর্মীরা বাধা দেন। এতে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। এনসিপি নেতা তাওহীদ ও জামায়াত নেতা আবু বকর মারধরের শিকার হন বলে দাবি করা হয়েছে।
পরে আহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে আরও নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে জড়ো হন। এতে করে দুপুর আড়াইটার দিকে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ত্রিমুখী সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতা তাওহীদ অভিযোগ করেন, তাদের দরপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়া হয় এবং প্রতিবাদ করলে মারধর করা হয়। অন্যদিকে জামায়াত নেতা আবু বকরও একই ধরনের অভিযোগ তুলে ধরেন।
তবে বিএনপির পক্ষ থেকে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু দাবি করেন, বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল এবং এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।
এদিকে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজ উদ্দিন জানান, দরপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলেও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষ ঘটেনি এবং সুষ্ঠুভাবেই দরপত্র গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সদরের বক্তাবলী খেয়াঘাটের ইজারা ঘিরে দরপত্র জমা দিতে গিয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সোমবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। দরপত্র জমাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হতে থাকেন। পরে উত্তেজনা বাড়তে বাড়তে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খেয়াঘাটটির ইজারা পাওয়ার জন্য বিএনপির পাশাপাশি জামায়াত ও এনসিপির অনুসারীরাও আগ্রহী ছিলেন। এ কারণে সকাল থেকেই উপজেলা পরিষদ এলাকায় তাদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। বিএনপির পক্ষ থেকে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটুর অনুসারীরা সেখানে অবস্থান নেন। একইসঙ্গে বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে জেলা এনসিপির আহ্বায়ক জুবাইর আহমেদ সরদার ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম তাদের অনুসারীদের নিয়ে সেখানে যান। এ সময় স্থানীয় জামায়াতের নেতাদেরও উপস্থিতি দেখা যায়।
অভিযোগ রয়েছে, দুপুরের দিকে জামায়াত ও এনসিপির কর্মীরা দরপত্র জমা দিতে গেলে বিএনপির কর্মীরা বাধা দেন। এতে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। এনসিপি নেতা তাওহীদ ও জামায়াত নেতা আবু বকর মারধরের শিকার হন বলে দাবি করা হয়েছে।
পরে আহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে আরও নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে জড়ো হন। এতে করে দুপুর আড়াইটার দিকে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ত্রিমুখী সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতা তাওহীদ অভিযোগ করেন, তাদের দরপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়া হয় এবং প্রতিবাদ করলে মারধর করা হয়। অন্যদিকে জামায়াত নেতা আবু বকরও একই ধরনের অভিযোগ তুলে ধরেন।
তবে বিএনপির পক্ষ থেকে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু দাবি করেন, বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল এবং এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।
এদিকে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজ উদ্দিন জানান, দরপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলেও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষ ঘটেনি এবং সুষ্ঠুভাবেই দরপত্র গ্রহণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন