নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পেশাগত মর্যাদা রক্ষা, অভ্যন্তরীণ বৈষম্য নিরসন এবং সাধারণ সদস্যদের অধিকার আদায়ের প্রত্যয়ে বন্দর থানা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৯ মে) সকাল ১১টায় বন্দর গাউছিয়া হাট সংলগ্ন অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রবীণ দলিল লেখক অলিউল্লাহ মেম্বারের সভাপতিত্বে এবং দলিল লেখক রমজান হোসেন রাজুর সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র দলিল লেখক ও এ্যাডভোকেট মাজহারুল আলম খান পাভেল।
এ সময় উপস্থিত থেকে আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সদস্য আবুল হোসেন সরকার, ইসমাঈল হোসেন, আবু বকর ছিদ্দিক, আজিজ দেওয়ান, শরিফ হোসেন চিশতী,সাংবাদিক ও দলিল লেখক মাহফুজ জাহিদ, মো: রানা, আশরাফুল আলম স্বপন,হৃদয় চৌধুরী,জসিম উদ্দিন,ইব্রাহিম,শহিদুল্লাহ,রিদোয়ান,শহিদ খোকন,লিটু,রুবেল বন্দর থানা দলিল সমিতির সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যগনঃ এডভোকেট মাজহারুল আলম খান পাভেল,মোঃ আবুল হোসেন সরকার,এ,বি সিদ্দিক,মোঃ ইসমাইল মিয়া,মোঃ শরীফ উদ্দিন,মাহমুদুল হাসান, সাজ্জাদুল ইসলাম রানা,রমজান হোসেন রাজু,নিলয় আহমেদ রুবেল,মোঃ শহিদ খোকন, আসরাফুল আলম স্বপন,মোঃ আরিফ,নাজিম উদ্দিন,সুমন শেখ,জাহাঙ্গীর কবির লিটু, রহমতউল্লাহ মিন্টু, রেদোয়ান, জসিমউদ্দিন সরকার,নাজমুল হাসান রিপন,মুজাহিদ সরকার জনি, মোঃ আলমগীর, হেলালউদ্দিন,বোরহানউদ্দিন, মাসুদ কায়সার , ইব্রাহিম, মোশারফ হোসেন,আল আমিন, আরিফ,আশরাফ,কামাল হোসেন,মাহফুজুল ইসলাম জাহিদ সাংবাদিক,মামুন,হৃদয় চৌধুরী, আব্দুল আজিজ দেওয়ান, রাজিব, শাহজালাল, নুর মোহাম্মদ, মোজাম্মেল, কাজী নাজির হোসেন, মিলন,আরিফ সাংবাদিক প্রমুখ । মোট ৫৮ জন দলিল লেখক।
মুক্ত আলোচনায় বক্তারা সমিতির বর্তমান সংকট ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে গঠনমূলক বক্তব্য তুলে ধরেন।
সভায় আলোচিত প্রধান দিকগুলো তুলে ধরে
বক্তারা অভিযোগ করেন, সমিতির উৎসব ভাতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য করা হচ্ছে। পিছিয়ে পড়া সদস্যদের কল্যাণে কাজ করাই হবে আগামীর মূল লক্ষ্য। সমিতিতে বর্তমানে দুটি পৃথক প্ল্যাটফর্ম তৈরি হওয়ায় সাধারণ সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই বিভক্তির সুযোগ নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অসাধু চক্র ফায়দা লুটছে। যারা নিজেদের স্বার্থে সমিতিতে ফাটল ধরাচ্ছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করা এখন সময়ের দাবি। দলিল লেখকদের ওপর ‘এক্সট্রা মোহরার’ বা সহকারীদের খবরদারি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। পেশার মর্যাদা রক্ষায় এই সংস্কৃতি বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা আরো বলেন,বন্দরের স্থানীয় সংসদ সদস্যের শরণাপন্ন হয়ে সমিতির অচলাবস্থা নিরসন এবং একটি শক্তিশালী ও বৈষম্যহীন নির্বাচিত কমিটি গঠন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থ ত্যাগ করে পেশার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। আমরা আমাদের সফল সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালামের সুযোগ্য নেতৃত্বে একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল নির্বাচিত কমিটি গঠন করতে বদ্ধপরিকর।
পরিশেষে প্রয়াত দলিল লেখকদের আত্মার মাগফেরাত এবং সমিতির ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া শেষে সকলের মাঝে মধ্যাহ্নভোজ বিতরণ করা হয়।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পেশাগত মর্যাদা রক্ষা, অভ্যন্তরীণ বৈষম্য নিরসন এবং সাধারণ সদস্যদের অধিকার আদায়ের প্রত্যয়ে বন্দর থানা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৯ মে) সকাল ১১টায় বন্দর গাউছিয়া হাট সংলগ্ন অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রবীণ দলিল লেখক অলিউল্লাহ মেম্বারের সভাপতিত্বে এবং দলিল লেখক রমজান হোসেন রাজুর সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র দলিল লেখক ও এ্যাডভোকেট মাজহারুল আলম খান পাভেল।
এ সময় উপস্থিত থেকে আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সদস্য আবুল হোসেন সরকার, ইসমাঈল হোসেন, আবু বকর ছিদ্দিক, আজিজ দেওয়ান, শরিফ হোসেন চিশতী,সাংবাদিক ও দলিল লেখক মাহফুজ জাহিদ, মো: রানা, আশরাফুল আলম স্বপন,হৃদয় চৌধুরী,জসিম উদ্দিন,ইব্রাহিম,শহিদুল্লাহ,রিদোয়ান,শহিদ খোকন,লিটু,রুবেল বন্দর থানা দলিল সমিতির সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যগনঃ এডভোকেট মাজহারুল আলম খান পাভেল,মোঃ আবুল হোসেন সরকার,এ,বি সিদ্দিক,মোঃ ইসমাইল মিয়া,মোঃ শরীফ উদ্দিন,মাহমুদুল হাসান, সাজ্জাদুল ইসলাম রানা,রমজান হোসেন রাজু,নিলয় আহমেদ রুবেল,মোঃ শহিদ খোকন, আসরাফুল আলম স্বপন,মোঃ আরিফ,নাজিম উদ্দিন,সুমন শেখ,জাহাঙ্গীর কবির লিটু, রহমতউল্লাহ মিন্টু, রেদোয়ান, জসিমউদ্দিন সরকার,নাজমুল হাসান রিপন,মুজাহিদ সরকার জনি, মোঃ আলমগীর, হেলালউদ্দিন,বোরহানউদ্দিন, মাসুদ কায়সার , ইব্রাহিম, মোশারফ হোসেন,আল আমিন, আরিফ,আশরাফ,কামাল হোসেন,মাহফুজুল ইসলাম জাহিদ সাংবাদিক,মামুন,হৃদয় চৌধুরী, আব্দুল আজিজ দেওয়ান, রাজিব, শাহজালাল, নুর মোহাম্মদ, মোজাম্মেল, কাজী নাজির হোসেন, মিলন,আরিফ সাংবাদিক প্রমুখ । মোট ৫৮ জন দলিল লেখক।
মুক্ত আলোচনায় বক্তারা সমিতির বর্তমান সংকট ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে গঠনমূলক বক্তব্য তুলে ধরেন।
সভায় আলোচিত প্রধান দিকগুলো তুলে ধরে
বক্তারা অভিযোগ করেন, সমিতির উৎসব ভাতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য করা হচ্ছে। পিছিয়ে পড়া সদস্যদের কল্যাণে কাজ করাই হবে আগামীর মূল লক্ষ্য। সমিতিতে বর্তমানে দুটি পৃথক প্ল্যাটফর্ম তৈরি হওয়ায় সাধারণ সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই বিভক্তির সুযোগ নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অসাধু চক্র ফায়দা লুটছে। যারা নিজেদের স্বার্থে সমিতিতে ফাটল ধরাচ্ছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করা এখন সময়ের দাবি। দলিল লেখকদের ওপর ‘এক্সট্রা মোহরার’ বা সহকারীদের খবরদারি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। পেশার মর্যাদা রক্ষায় এই সংস্কৃতি বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা আরো বলেন,বন্দরের স্থানীয় সংসদ সদস্যের শরণাপন্ন হয়ে সমিতির অচলাবস্থা নিরসন এবং একটি শক্তিশালী ও বৈষম্যহীন নির্বাচিত কমিটি গঠন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থ ত্যাগ করে পেশার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। আমরা আমাদের সফল সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালামের সুযোগ্য নেতৃত্বে একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল নির্বাচিত কমিটি গঠন করতে বদ্ধপরিকর।
পরিশেষে প্রয়াত দলিল লেখকদের আত্মার মাগফেরাত এবং সমিতির ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া শেষে সকলের মাঝে মধ্যাহ্নভোজ বিতরণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন