জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে তাদের নামে সড়কের নামকরণ, স্মৃতিস্তম্ভ ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের পাশাপাশি কবর সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে নগরীর শায়েস্তা খান সড়কের জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।
ডিসি রায়হান কবির বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সহায়তা দিতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে জুলাই অধিদপ্তরও বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শহীদদের নামে রাস্তা ও স্থাপনা নির্মাণ এবং কবর সংরক্ষণের বিষয়ে যেসব দাবি এসেছে, সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ চলছে। ছোটখাটো জটিলতা দ্রুত সমাধান করে কার্যক্রম শেষ করা হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নারীদের জন্য সেলাই মেশিন বিতরণসহ বিভিন্ন আয়বর্ধক কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে, যাতে আত্মত্যাগী পরিবারগুলো উন্নয়নের মূল ধারায় যুক্ত হতে পারে।
রাজনৈতিক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ তুলে জেলা প্রশাসক বলেন, নারায়ণগঞ্জ ঐতিহ্যগতভাবে সম্প্রীতির জেলা। এখানকার রাজনৈতিক সহাবস্থানের সংস্কৃতি দেশের অনেক জেলার তুলনায় ব্যতিক্রম। মতভিন্নতা থাকলেও জুলাই আন্দোলনের সময় যেভাবে সবাই একসঙ্গে ছিলেন, ভবিষ্যতেও সেই ঐক্য অটুট থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
জেলা প্রশাসনের আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক নিলুফা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাসমিন আক্তার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে তাদের নামে সড়কের নামকরণ, স্মৃতিস্তম্ভ ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের পাশাপাশি কবর সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে নগরীর শায়েস্তা খান সড়কের জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।
ডিসি রায়হান কবির বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সহায়তা দিতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে জুলাই অধিদপ্তরও বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শহীদদের নামে রাস্তা ও স্থাপনা নির্মাণ এবং কবর সংরক্ষণের বিষয়ে যেসব দাবি এসেছে, সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ চলছে। ছোটখাটো জটিলতা দ্রুত সমাধান করে কার্যক্রম শেষ করা হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নারীদের জন্য সেলাই মেশিন বিতরণসহ বিভিন্ন আয়বর্ধক কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে, যাতে আত্মত্যাগী পরিবারগুলো উন্নয়নের মূল ধারায় যুক্ত হতে পারে।
রাজনৈতিক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ তুলে জেলা প্রশাসক বলেন, নারায়ণগঞ্জ ঐতিহ্যগতভাবে সম্প্রীতির জেলা। এখানকার রাজনৈতিক সহাবস্থানের সংস্কৃতি দেশের অনেক জেলার তুলনায় ব্যতিক্রম। মতভিন্নতা থাকলেও জুলাই আন্দোলনের সময় যেভাবে সবাই একসঙ্গে ছিলেন, ভবিষ্যতেও সেই ঐক্য অটুট থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
জেলা প্রশাসনের আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক নিলুফা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাসমিন আক্তার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন