নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে এক ছাত্রীকে পেছন থেকে লাথি দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে এসেছে। ঘটনায় জড়িত ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে শাস্তির পরিবর্তে সংশোধনের লক্ষ্যে ছয় মাসের জন্য প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ আগস্ট কাঁচপুর রায়েরটেক নদীর পাড়ের ব্রিজের ওপর কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়ার পথে ওই শিশু উত্ত্যক্ত করে এবং পেছন থেকে লাথি দেয়। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়েছিল বলে জানা যায়।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের নজরে আসে। পরে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা নূর ফারজানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়।
এরপর শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে শিশুটিকে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সোনারগাঁ থানায় নেওয়া হয়। সেখানে প্রবেশন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জন্মসনদ যাচাই করে শিশুটির বয়স ১১ বছর বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা-মা বা অভিভাবকের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় প্রবেশন কর্মকর্তার মতামতের ভিত্তিতে শিশু আইন, ২০১৩-এর ৪৮ ধারা অনুযায়ী শিশুটির ক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থা (ডাইভারশন) গ্রহণ করা হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ছয় মাস শিশুটি প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে থাকবে। এ সময় তার আচরণ ও সংশোধনের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতি মাসে থানায় প্রতিবেদন দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তাকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে না জড়ানো, বাবা-মায়ের নির্দেশনা মেনে চলা এবং নিয়মিত প্রবেশন কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার শর্ত দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ভবিষ্যতের জন্য সোনারগাঁ থানার সাধারণ ডায়েরিতে নথিভুক্ত করা হয়েছে। পরে শনিবার বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে বিধি অনুযায়ী শিশুটিকে তার বাবা-মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে স্কুল কর্তৃপক্ষ টিসি দিয়ে বের করে দিয়েছে—এমন একটি অভিযোগও সামনে এসেছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে এক ছাত্রীকে পেছন থেকে লাথি দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে এসেছে। ঘটনায় জড়িত ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে শাস্তির পরিবর্তে সংশোধনের লক্ষ্যে ছয় মাসের জন্য প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ আগস্ট কাঁচপুর রায়েরটেক নদীর পাড়ের ব্রিজের ওপর কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়ার পথে ওই শিশু উত্ত্যক্ত করে এবং পেছন থেকে লাথি দেয়। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়েছিল বলে জানা যায়।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের নজরে আসে। পরে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা নূর ফারজানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়।
এরপর শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে শিশুটিকে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সোনারগাঁ থানায় নেওয়া হয়। সেখানে প্রবেশন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জন্মসনদ যাচাই করে শিশুটির বয়স ১১ বছর বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা-মা বা অভিভাবকের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় প্রবেশন কর্মকর্তার মতামতের ভিত্তিতে শিশু আইন, ২০১৩-এর ৪৮ ধারা অনুযায়ী শিশুটির ক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থা (ডাইভারশন) গ্রহণ করা হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ছয় মাস শিশুটি প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে থাকবে। এ সময় তার আচরণ ও সংশোধনের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতি মাসে থানায় প্রতিবেদন দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তাকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে না জড়ানো, বাবা-মায়ের নির্দেশনা মেনে চলা এবং নিয়মিত প্রবেশন কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার শর্ত দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ভবিষ্যতের জন্য সোনারগাঁ থানার সাধারণ ডায়েরিতে নথিভুক্ত করা হয়েছে। পরে শনিবার বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে বিধি অনুযায়ী শিশুটিকে তার বাবা-মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে স্কুল কর্তৃপক্ষ টিসি দিয়ে বের করে দিয়েছে—এমন একটি অভিযোগও সামনে এসেছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন