শীতলক্ষ্যা সেতুতে প্রাণ গেল নিঝুমের, জাপান যাওয়ার স্বপ্ন অধরা
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাপান যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ইউনুস রাশিদ নিঝুম (২২)। এ জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিখছিলেন জাপানি ভাষাও। তবে বিদেশে যাওয়ার সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। নারায়ণগঞ্জের বন্দরে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এই তরুণ। তাঁর সঙ্গে থাকা বন্ধু ফারহান (১৯) আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেতুর মদনগঞ্জগামী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নিঝুম বন্দরের নবীগঞ্জ মোল্লাবাড়ি এলাকার মাসুদ মিয়ার ছেলে। তিনি অনার্সে পড়াশোনা করছিলেন।
পুলিশ ও পরিবারের সূত্রে জানা যায়, দ্রুতগতিতে চলার সময় মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর রেলিংয়ে ধাক্কা লাগে। ধাক্কার পর মোটরসাইকেলটি ছিটকে প্রায় ৩০ মিটার দূরে গিয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই চালক নিঝুমের মৃত্যু হয়। তাঁর বন্ধু ফারহানও দুর্ঘটনায় আহত হন।
মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মিলন বর্মন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিঝুমের মাথা, গলা, হাত ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। আহত ফারহানকে চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, নিঝুমের আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাপান যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। সে লক্ষ্যেই তিনি জাপানি ভাষা শেখাসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু সেতুর দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যুতে সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হলো না। তরুণ বয়সে তাঁর এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
শীতলক্ষ্যা সেতুতে প্রাণ গেল নিঝুমের, জাপান যাওয়ার স্বপ্ন অধরা
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাপান যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ইউনুস রাশিদ নিঝুম (২২)। এ জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিখছিলেন জাপানি ভাষাও। তবে বিদেশে যাওয়ার সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। নারায়ণগঞ্জের বন্দরে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এই তরুণ। তাঁর সঙ্গে থাকা বন্ধু ফারহান (১৯) আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেতুর মদনগঞ্জগামী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নিঝুম বন্দরের নবীগঞ্জ মোল্লাবাড়ি এলাকার মাসুদ মিয়ার ছেলে। তিনি অনার্সে পড়াশোনা করছিলেন।
পুলিশ ও পরিবারের সূত্রে জানা যায়, দ্রুতগতিতে চলার সময় মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর রেলিংয়ে ধাক্কা লাগে। ধাক্কার পর মোটরসাইকেলটি ছিটকে প্রায় ৩০ মিটার দূরে গিয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই চালক নিঝুমের মৃত্যু হয়। তাঁর বন্ধু ফারহানও দুর্ঘটনায় আহত হন।
মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মিলন বর্মন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিঝুমের মাথা, গলা, হাত ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। আহত ফারহানকে চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, নিঝুমের আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাপান যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। সে লক্ষ্যেই তিনি জাপানি ভাষা শেখাসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু সেতুর দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যুতে সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হলো না। তরুণ বয়সে তাঁর এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন