নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে দুই পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার হাবিবপুর, কাজীপাড়া ও রুস্তমপুর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পুলিশের একাধিক টিম তল্লাশি চালায়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, সিফাত, শাহারিয়া তানভীর ও আবু সুফিয়ান নামে তিন ব্যক্তি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে জরুরি পুলিশ সেবা ৯৯৯-এ কল করেন।
ওই কলের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার ডিউটিতে থাকা এএসআই সোহেল রানা ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া দেন। এ সময় আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা ১৪ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র ছিনতাইকারী দল পুলিশের ওপর হামলা চালায়।
হামলায় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কনস্টেবল ফয়সালের ডান হাতের দুটি আঙুল ও পেটে গুরুতর জখম করা হয়। এছাড়া পুলিশের একটি শর্টগান ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।
পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গুলু মিয়া বাড়ি এলাকা থেকে লুট হওয়া শর্টগানটি উদ্ধার করে। আহত দুই পুলিশ সদস্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে দুই পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার হাবিবপুর, কাজীপাড়া ও রুস্তমপুর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পুলিশের একাধিক টিম তল্লাশি চালায়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, সিফাত, শাহারিয়া তানভীর ও আবু সুফিয়ান নামে তিন ব্যক্তি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে জরুরি পুলিশ সেবা ৯৯৯-এ কল করেন।
ওই কলের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার ডিউটিতে থাকা এএসআই সোহেল রানা ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া দেন। এ সময় আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা ১৪ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র ছিনতাইকারী দল পুলিশের ওপর হামলা চালায়।
হামলায় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কনস্টেবল ফয়সালের ডান হাতের দুটি আঙুল ও পেটে গুরুতর জখম করা হয়। এছাড়া পুলিশের একটি শর্টগান ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।
পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গুলু মিয়া বাড়ি এলাকা থেকে লুট হওয়া শর্টগানটি উদ্ধার করে। আহত দুই পুলিশ সদস্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন