নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অপহৃত দুই বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করেছে র্যাব-১১। একই ঘটনায় মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপহৃত শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. সুজন মিয়া (৩১), জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ থানার বাসিন্দা মো. তোতা মিয়ার ছেলে এবং চাঁদপুর সদর উপজেলার পুরান বাজার এলাকার শাহজাহানের মেয়ে মাজেদা (২৯)। তারা ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকার হাজী ইমান আলীর বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ভুক্তভোগী পরিবারের পাশের বাসায় বসবাসের কারণে অভিযুক্তরা শিশুটির পরিবারের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। সেই পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে শিশুটিকে কৌশলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে পরিবারের কাছে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় শিশুটির পরিবার র্যাব-১১-এর কাছে অভিযোগ করলে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করা হয়। পরে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-১১ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অপহৃত দুই বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করেছে র্যাব-১১। একই ঘটনায় মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপহৃত শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. সুজন মিয়া (৩১), জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ থানার বাসিন্দা মো. তোতা মিয়ার ছেলে এবং চাঁদপুর সদর উপজেলার পুরান বাজার এলাকার শাহজাহানের মেয়ে মাজেদা (২৯)। তারা ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকার হাজী ইমান আলীর বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ভুক্তভোগী পরিবারের পাশের বাসায় বসবাসের কারণে অভিযুক্তরা শিশুটির পরিবারের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। সেই পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে শিশুটিকে কৌশলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে পরিবারের কাছে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় শিশুটির পরিবার র্যাব-১১-এর কাছে অভিযোগ করলে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করা হয়। পরে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-১১ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন