নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বর্তমানে কারাগারে থাকলেও তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব মামলায় জামিন মিলেছে। সর্বশেষ রোববার উচ্চ আদালতের দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বহাল রাখে চেম্বার আদালত। ফলে তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এদিকে ঈদুল আজহার পর স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।
এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, নারায়ণগঞ্জে আবারও ২০০৩ সালের রাজনৈতিক বাস্তবতার পুনরাবৃত্তি হতে পারে।
তাদের মতে, ২০০৩ সালে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে দুর্বল অবস্থায় ছিল। সে সময় দলটির অনেক নেতাকর্মী এলাকা ছাড়লেও ডা. আইভী প্রার্থী হয়ে আলোচনায় আসেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সমর্থন এবং বিভিন্নভাবে পরিচালিত প্রচারণার মধ্য দিয়ে তিনি ওই নির্বাচনে জয়ী হন।
বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সেই সময়ের মিল খুঁজছেন বিশ্লেষকরা। তাদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগের অনেক নেতা এখন নিষ্ক্রিয় বা এলাকা ছাড়া অবস্থায় থাকলেও আইভী এখনও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। দীর্ঘ সময় কারাবাসের পর তার মুক্তির সম্ভাবনা এবং সম্ভাব্য সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
সব মিলিয়ে, প্রায় দুই দশক পর নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে আবারও ‘২০০৩ সালের পুনরাবৃত্তি’ হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বর্তমানে কারাগারে থাকলেও তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব মামলায় জামিন মিলেছে। সর্বশেষ রোববার উচ্চ আদালতের দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বহাল রাখে চেম্বার আদালত। ফলে তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এদিকে ঈদুল আজহার পর স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।
এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, নারায়ণগঞ্জে আবারও ২০০৩ সালের রাজনৈতিক বাস্তবতার পুনরাবৃত্তি হতে পারে।
তাদের মতে, ২০০৩ সালে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে দুর্বল অবস্থায় ছিল। সে সময় দলটির অনেক নেতাকর্মী এলাকা ছাড়লেও ডা. আইভী প্রার্থী হয়ে আলোচনায় আসেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সমর্থন এবং বিভিন্নভাবে পরিচালিত প্রচারণার মধ্য দিয়ে তিনি ওই নির্বাচনে জয়ী হন।
বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সেই সময়ের মিল খুঁজছেন বিশ্লেষকরা। তাদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগের অনেক নেতা এখন নিষ্ক্রিয় বা এলাকা ছাড়া অবস্থায় থাকলেও আইভী এখনও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। দীর্ঘ সময় কারাবাসের পর তার মুক্তির সম্ভাবনা এবং সম্ভাব্য সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
সব মিলিয়ে, প্রায় দুই দশক পর নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে আবারও ‘২০০৩ সালের পুনরাবৃত্তি’ হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

আপনার মতামত লিখুন