নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সিআইডি সদস্য পরিচয় দিয়ে এক চাকরিজীবীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২০ জুন) সকালে ভুক্তভোগী অমিত হাসান মিয়াজ রূপগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন। তিনি সোনারগাঁও উপজেলার হাবিয়া বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় কর্মরত।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, অভিযুক্তরা হলেন ঢাকা দক্ষিণ ডিবি কার্যালয়ে কর্মরত এসআই মামুন মাতব্বর (৪০), এএসআই আমানুল্লাহ (৩৪), পুলিশ সদস্য কবির (৩৩), আকাশ আহমেদ (৩০), গাড়িচালক আবু বক্কর সিদ্দিক (৫০) এবং সেলিম মিয়া (৪৫)।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম জানান, এজাহারে বলা হয়েছে—গত ১৮ জুন দুপুরে অমিত হাসান মিয়াজ এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে সোনারগাঁওয়ের বারদী এলাকা থেকে সিএনজিযোগে রূপগঞ্জের ভুলতা গাউছিয়ায় যান। সেখানে একটি পাবলিক টয়লেটের সামনে অবস্থানকালে সিআইডি পরিচয় দিয়ে অভিযুক্তরা তাদের ভেতরে নিয়ে দেহ তল্লাশি চালায়। কিছু না পেয়ে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে অমিত চিৎকার শুরু করেন। এ সময় তাকে মারধরের অভিযোগও করা হয়েছে।
চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তদের অপহরণকারী সন্দেহে গণপিটুনি দেয়। এর মধ্যে আকাশ আহমেদ, আবু বক্কর সিদ্দিক ও সেলিম মিয়া পালিয়ে গেলেও এসআই মামুন মাতব্বর, এএসআই আমানুল্লাহ ও পুলিশ সদস্য কবিরকে আটক করা হয়।
পরে আটক তিনজনকে আড়াইহাজার উপজেলার শান্তিনগর এলাকায় নেওয়া হয়। আহত অবস্থায় তাদের আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
মামলার এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, একই চক্রের সদস্যরা গত ১৫ জুন জয়নাল নামের এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে তার স্বজনরা আড়াই লাখ টাকা পরিশোধ করলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। একইভাবে জাকির হোসেন নামে আরেক ব্যক্তিকে অপহরণ করে ছয় লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে আড়াই লাখ টাকা দেওয়ার পর তিনি মুক্তি পান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সিআইডি সদস্য পরিচয় দিয়ে এক চাকরিজীবীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২০ জুন) সকালে ভুক্তভোগী অমিত হাসান মিয়াজ রূপগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন। তিনি সোনারগাঁও উপজেলার হাবিয়া বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় কর্মরত।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, অভিযুক্তরা হলেন ঢাকা দক্ষিণ ডিবি কার্যালয়ে কর্মরত এসআই মামুন মাতব্বর (৪০), এএসআই আমানুল্লাহ (৩৪), পুলিশ সদস্য কবির (৩৩), আকাশ আহমেদ (৩০), গাড়িচালক আবু বক্কর সিদ্দিক (৫০) এবং সেলিম মিয়া (৪৫)।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম জানান, এজাহারে বলা হয়েছে—গত ১৮ জুন দুপুরে অমিত হাসান মিয়াজ এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে সোনারগাঁওয়ের বারদী এলাকা থেকে সিএনজিযোগে রূপগঞ্জের ভুলতা গাউছিয়ায় যান। সেখানে একটি পাবলিক টয়লেটের সামনে অবস্থানকালে সিআইডি পরিচয় দিয়ে অভিযুক্তরা তাদের ভেতরে নিয়ে দেহ তল্লাশি চালায়। কিছু না পেয়ে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে অমিত চিৎকার শুরু করেন। এ সময় তাকে মারধরের অভিযোগও করা হয়েছে।
চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তদের অপহরণকারী সন্দেহে গণপিটুনি দেয়। এর মধ্যে আকাশ আহমেদ, আবু বক্কর সিদ্দিক ও সেলিম মিয়া পালিয়ে গেলেও এসআই মামুন মাতব্বর, এএসআই আমানুল্লাহ ও পুলিশ সদস্য কবিরকে আটক করা হয়।
পরে আটক তিনজনকে আড়াইহাজার উপজেলার শান্তিনগর এলাকায় নেওয়া হয়। আহত অবস্থায় তাদের আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
মামলার এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, একই চক্রের সদস্যরা গত ১৫ জুন জয়নাল নামের এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে তার স্বজনরা আড়াই লাখ টাকা পরিশোধ করলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। একইভাবে জাকির হোসেন নামে আরেক ব্যক্তিকে অপহরণ করে ছয় লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে আড়াই লাখ টাকা দেওয়ার পর তিনি মুক্তি পান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন