বি পি নিউজ ২৪

ফুসে উঠেছে কাশীপুরবাসী

কাশিপুরে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল পরিবর্তনের দাবিতে তাণ্ডব: সভাপতিসহ কমিটিকে জিম্মি থানায় অভিযোগ


প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

কাশিপুরে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল পরিবর্তনের দাবিতে তাণ্ডব: সভাপতিসহ কমিটিকে জিম্মি থানায় অভিযোগ

 কাশিপুর জামিয়া কাসেমুল উলুম মাদানিয়া মাদ্রাসার চার বিতর্কিত আলেমের কর্মকান্ডে ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী যেকোনো সময় গণধোলাই দেবে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোন ধরনের অরজগতা বিশৃঙ্খল মেনে নেবে না কাশিপুরবাসী। বহু কষ্টের ও অনেক ত্যাগের বিনিময়ে এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত।যে কোন মূল্যে  এই মাদ্রাসার সুনাম অক্ষুন্ন রাখা হবে

 নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন কাশিপুর জামিয়া কাসেমুল উলুম মাদানিয়া মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং অবৈধভাবে প্রিন্সিপাল পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জিম্মি, মারধর ও জীবননাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় গত ১৭ মে ২০২৬ তারিখে ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলার বিবরণ দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মাদ্রাসার সভাপতি মো: নাজির শিকদার (৬৫) 

​অভিযোগে ৪ জন নামধারী ও অজ্ঞাতনামা আরও ৮/১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত নামধারী ব্যক্তিরা হলেন— মাওলানা শরীফুল ইসলাম (৩৮), মাওলানা ফয়সাল আহমেদ সানি (৩৬), মো: মাওলানা শাহ জালাল (৪০) এবং সোনারগাঁও থানার মাওলানা সোহাইল মাহমুদ (৩৬)। তারা সবাই উক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মে ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৮:০০ ঘটিকায় একদল বহিরাগত অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন লোক লাঠি-সোঠা নিয়ে মাদ্রাসায় প্রবেশ করে। অভিযুক্ত ১ থেকে ৪ নং বিবাদীদের উস্কানি ও প্ররোচনায় তারা মাদ্রাসার কিছু ছাত্রকে সাথে নিয়ে ভেতরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং দরজা-জানালা ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। এ সময় তারা মাদ্রাসার কমিটি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করে এবং নিরীহ ছাত্রদের ওপর চড়াও হয়।

​পরবর্তীতে একই দিন রাত ৯:০০ ঘটিকার সময় মাদ্রাসার সভাপতি মো: নাজির শিকদার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কমিটির সদস্যদের নিয়ে বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে একটি বৈঠকে বসেন। বৈঠক চলাকালীন সময়ে অভিযুক্তদের প্ররোচনায় বহিরাগত সন্ত্রাসী ও কিছু ছাত্র মিলে মাদ্রাসার মেইন গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয় এবং ভেতরে থাকা কমিটির সদস্যদের জিম্মি করে ফেলে।

​অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা বর্তমান নির্বাচিত প্রিন্সিপালকে অব্যাহতি দিয়ে অবৈধভাবে 'সবুর কাসেমী' নামক এক ব্যক্তিকে প্রিন্সিপাল বানানোর জন্য কমিটিকে লিখিত দেওয়ার জন্য প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। কমিটি উক্ত অনৈতিক দাবিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানালে, বিবাদীরা তাদের চরমভাবে অপমান-অপদস্ত করে এবং বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতিসহ জীবননাশের হুমকি দেয়।

​ভুক্তভোগীরা জানান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ ও নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পর থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। বর্তমানে এই ঘটনার পর থেকে মাদ্রাসার সুষ্ঠু পরিবেশ ও কমিটির সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে।

​এই বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ জানায়, লিখিত অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬


কাশিপুরে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল পরিবর্তনের দাবিতে তাণ্ডব: সভাপতিসহ কমিটিকে জিম্মি থানায় অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬

featured Image

 কাশিপুর জামিয়া কাসেমুল উলুম মাদানিয়া মাদ্রাসার চার বিতর্কিত আলেমের কর্মকান্ডে ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী যেকোনো সময় গণধোলাই দেবে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোন ধরনের অরজগতা বিশৃঙ্খল মেনে নেবে না কাশিপুরবাসী। বহু কষ্টের ও অনেক ত্যাগের বিনিময়ে এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত।যে কোন মূল্যে  এই মাদ্রাসার সুনাম অক্ষুন্ন রাখা হবে

 নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন কাশিপুর জামিয়া কাসেমুল উলুম মাদানিয়া মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং অবৈধভাবে প্রিন্সিপাল পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জিম্মি, মারধর ও জীবননাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় গত ১৭ মে ২০২৬ তারিখে ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলার বিবরণ দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মাদ্রাসার সভাপতি মো: নাজির শিকদার (৬৫) 

​অভিযোগে ৪ জন নামধারী ও অজ্ঞাতনামা আরও ৮/১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত নামধারী ব্যক্তিরা হলেন— মাওলানা শরীফুল ইসলাম (৩৮), মাওলানা ফয়সাল আহমেদ সানি (৩৬), মো: মাওলানা শাহ জালাল (৪০) এবং সোনারগাঁও থানার মাওলানা সোহাইল মাহমুদ (৩৬)। তারা সবাই উক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মে ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৮:০০ ঘটিকায় একদল বহিরাগত অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন লোক লাঠি-সোঠা নিয়ে মাদ্রাসায় প্রবেশ করে। অভিযুক্ত ১ থেকে ৪ নং বিবাদীদের উস্কানি ও প্ররোচনায় তারা মাদ্রাসার কিছু ছাত্রকে সাথে নিয়ে ভেতরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং দরজা-জানালা ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। এ সময় তারা মাদ্রাসার কমিটি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করে এবং নিরীহ ছাত্রদের ওপর চড়াও হয়।

​পরবর্তীতে একই দিন রাত ৯:০০ ঘটিকার সময় মাদ্রাসার সভাপতি মো: নাজির শিকদার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কমিটির সদস্যদের নিয়ে বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে একটি বৈঠকে বসেন। বৈঠক চলাকালীন সময়ে অভিযুক্তদের প্ররোচনায় বহিরাগত সন্ত্রাসী ও কিছু ছাত্র মিলে মাদ্রাসার মেইন গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয় এবং ভেতরে থাকা কমিটির সদস্যদের জিম্মি করে ফেলে।

​অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা বর্তমান নির্বাচিত প্রিন্সিপালকে অব্যাহতি দিয়ে অবৈধভাবে 'সবুর কাসেমী' নামক এক ব্যক্তিকে প্রিন্সিপাল বানানোর জন্য কমিটিকে লিখিত দেওয়ার জন্য প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। কমিটি উক্ত অনৈতিক দাবিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানালে, বিবাদীরা তাদের চরমভাবে অপমান-অপদস্ত করে এবং বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতিসহ জীবননাশের হুমকি দেয়।

​ভুক্তভোগীরা জানান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ ও নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পর থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। বর্তমানে এই ঘটনার পর থেকে মাদ্রাসার সুষ্ঠু পরিবেশ ও কমিটির সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে।

​এই বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ জানায়, লিখিত অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ