নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন বক্তাবলী এলাকার খাজা মার্কেট বাজারে এক নারীকে মারধর, শ্লীলতাহানি ও গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মো. মামুনকে ১ নম্বর বিবাদী করে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সেলিনা নামে এক নারী।
অভিযোগপত্রে সেলিনা উল্লেখ করেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে খাজা মার্কেট বাজারে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন মামুন। এর প্রতিবাদ করলে মামুনসহ অন্য অভিযুক্তরা তাকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মামুন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় থাকা ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন এবং পরিহিত বোরকা টানাহেঁচড়া করে ছিঁড়ে ফেলেন। পরে খাজা মার্কেট বাজারের একটি গাছের সঙ্গে তার ওড়না দিয়ে বেঁধে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করেন ওই নারী।
অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়, ঘটনার সময় মামুন একটি স্মার্টফোন, যার আনুমানিক মূল্য ২৫ হাজার টাকা, নিয়ে যায়। পরে মামুন তার মোবাইল ফোনে ওই নারীর বেঁধে রাখার ছবি ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও জীবননাশের হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন সেলিনা। একই সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে বাড়াবাড়ি করলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
অভিযোগকারী সেলিনা বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগে আনা এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মামুন বা অন্য বিবাদীদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন বক্তাবলী এলাকার খাজা মার্কেট বাজারে এক নারীকে মারধর, শ্লীলতাহানি ও গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মো. মামুনকে ১ নম্বর বিবাদী করে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সেলিনা নামে এক নারী।
অভিযোগপত্রে সেলিনা উল্লেখ করেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে খাজা মার্কেট বাজারে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন মামুন। এর প্রতিবাদ করলে মামুনসহ অন্য অভিযুক্তরা তাকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মামুন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় থাকা ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন এবং পরিহিত বোরকা টানাহেঁচড়া করে ছিঁড়ে ফেলেন। পরে খাজা মার্কেট বাজারের একটি গাছের সঙ্গে তার ওড়না দিয়ে বেঁধে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করেন ওই নারী।
অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়, ঘটনার সময় মামুন একটি স্মার্টফোন, যার আনুমানিক মূল্য ২৫ হাজার টাকা, নিয়ে যায়। পরে মামুন তার মোবাইল ফোনে ওই নারীর বেঁধে রাখার ছবি ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও জীবননাশের হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন সেলিনা। একই সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে বাড়াবাড়ি করলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
অভিযোগকারী সেলিনা বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগে আনা এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মামুন বা অন্য বিবাদীদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন