নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ৬ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গণপিটুনির শিকার হওয়া এক তরুণ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। টানা ছয় দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
নিহত হিরু (২১) সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের বাসিন্দা মনির হোসেনের ছেলে।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, গত ২২ মে বিকেলে হিরুর বিরুদ্ধে একই এলাকার এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে রাতে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় হিরুকে প্রধান আসামি এবং তার বন্ধু মো. সোহেলকে সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়।
পুলিশ জানায়, চিকিৎসাধীন অবস্থায় হিরু পুলিশি পাহারায় ছিলেন। মৃত্যুর পর শাহবাগ থানা প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।
পুলিশ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, হিরুর মৃত্যুর ঘটনায় পৃথক একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হবে। মরদেহ দাফনের পর নিহতের স্বজনরা থানায় এলে তাদের অভিযোগ গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ৬ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গণপিটুনির শিকার হওয়া এক তরুণ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। টানা ছয় দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
নিহত হিরু (২১) সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের বাসিন্দা মনির হোসেনের ছেলে।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, গত ২২ মে বিকেলে হিরুর বিরুদ্ধে একই এলাকার এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে রাতে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় হিরুকে প্রধান আসামি এবং তার বন্ধু মো. সোহেলকে সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়।
পুলিশ জানায়, চিকিৎসাধীন অবস্থায় হিরু পুলিশি পাহারায় ছিলেন। মৃত্যুর পর শাহবাগ থানা প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।
পুলিশ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, হিরুর মৃত্যুর ঘটনায় পৃথক একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হবে। মরদেহ দাফনের পর নিহতের স্বজনরা থানায় এলে তাদের অভিযোগ গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন