নারায়ণগঞ্জের গোগনগর ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের ব্যানারে একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
গত ১ জুন (সোমবার) সকালে পঞ্চবটি-মুন্সিগঞ্জ সংযোগ সড়কের গোগনগর ইউনিয়নের ফকিরবাড়ি এলাকায় আজমেরী ওসমানের সমর্থকরা ১৫ থেকে ২০ জনের একটি মিছিল বের করে। ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিল শুরু হওয়ার পরপরই পুলিশের বাঁশির শব্দ শোনা যায়। বাঁশির শব্দ শুনে মিছিলে থাকা নেতাকর্মীরা দ্রুত দৌড়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভিন্ন ভিন্ন দাবি উঠে এসেছে।এনসিপির এক নেতা দাবি করেন, এনসিপির নেতাকর্মীরা ধাওয়া দিলে মিছিলে থাকা লোকজন পালিয়ে যায়।
তবে মিছিলে নেতৃত্বদানকারী যুবলীগের এক নেতা তার ফেসবুক পোস্টে এই দাবি করে বলেন, মিছিল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশের কাছে আগেই তথ্য ছিল এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি ও বাঁশির শব্দ শুনেই তারা সরে যান বলে তিনি দাবি করেন। পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনাস্থলে এনসিপির কোনো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল না এবং ধাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের গোগনগর ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের ব্যানারে একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
গত ১ জুন (সোমবার) সকালে পঞ্চবটি-মুন্সিগঞ্জ সংযোগ সড়কের গোগনগর ইউনিয়নের ফকিরবাড়ি এলাকায় আজমেরী ওসমানের সমর্থকরা ১৫ থেকে ২০ জনের একটি মিছিল বের করে। ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিল শুরু হওয়ার পরপরই পুলিশের বাঁশির শব্দ শোনা যায়। বাঁশির শব্দ শুনে মিছিলে থাকা নেতাকর্মীরা দ্রুত দৌড়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভিন্ন ভিন্ন দাবি উঠে এসেছে।এনসিপির এক নেতা দাবি করেন, এনসিপির নেতাকর্মীরা ধাওয়া দিলে মিছিলে থাকা লোকজন পালিয়ে যায়।
তবে মিছিলে নেতৃত্বদানকারী যুবলীগের এক নেতা তার ফেসবুক পোস্টে এই দাবি করে বলেন, মিছিল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশের কাছে আগেই তথ্য ছিল এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি ও বাঁশির শব্দ শুনেই তারা সরে যান বলে তিনি দাবি করেন। পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনাস্থলে এনসিপির কোনো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল না এবং ধাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন