নারায়ণগঞ্জ শহরে প্যাডেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে লাইসেন্সের পরিমাণ সীমিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব আবুল কাউসার আশা। তার মতে, লাইসেন্সের সংখ্যা ১০ থেকে ১২ হাজারের মধ্যে থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে, তবে এর বেশি হলে আপত্তি রয়েছে।
রোববার (৭ জুন) দুপুরে নগরভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন, পুলিশ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় রিকশা ব্যবস্থাপনা ও লাইসেন্স কার্যক্রম তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠনের কথাও জানান সিটি প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান।
আলোচনার এক পর্যায়ে আবুল কাউসার আশা বলেন, ৫ হাজার বা ১০ হাজার লাইসেন্স নিয়ে তার কোনো আপত্তি নেই, কিন্তু সংখ্যা ১৮ হাজারে পৌঁছালে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
তিনি লাইসেন্সধারীদের তালিকা তৈরির প্রক্রিয়াকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, ব্যক্তি বিবেচনায় তালিকা করা হলে স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই তালিকা প্রণয়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
সাবেক কাউন্সিলর আশা জানান, অতীতে লাইসেন্স প্রদানের দায়িত্বে থাকা কমিটির সভাপতি হিসেবে তিনি কাজ করেছেন। সে অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বলেন, কাগজে-কলমে শহরের ধারণক্ষমতা ৫ হাজার রিকশা দেখানো হলেও বাস্তবে দেড় লাখের বেশি রিকশা চলাচল করছে। এ অবস্থায় কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ৫ হাজারের পরিবর্তে ১০ হাজার লাইসেন্সের একটি বাস্তবসম্মত কাঠামো তৈরি করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন সিটি প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজগর হোসেন, নগর পরিকল্পনাবিদ মঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সোহেল রানা, নাগরিক আন্দোলনের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি, সাংবাদিক নেতা মাহবুবুর রহমান মাসুম, বিকেএমইএ’র সহসভাপতি মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি এবং নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক আহমেদুর রহমান তনুসহ বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিনিধি।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ শহরে প্যাডেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে লাইসেন্সের পরিমাণ সীমিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব আবুল কাউসার আশা। তার মতে, লাইসেন্সের সংখ্যা ১০ থেকে ১২ হাজারের মধ্যে থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে, তবে এর বেশি হলে আপত্তি রয়েছে।
রোববার (৭ জুন) দুপুরে নগরভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন, পুলিশ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় রিকশা ব্যবস্থাপনা ও লাইসেন্স কার্যক্রম তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠনের কথাও জানান সিটি প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান।
আলোচনার এক পর্যায়ে আবুল কাউসার আশা বলেন, ৫ হাজার বা ১০ হাজার লাইসেন্স নিয়ে তার কোনো আপত্তি নেই, কিন্তু সংখ্যা ১৮ হাজারে পৌঁছালে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
তিনি লাইসেন্সধারীদের তালিকা তৈরির প্রক্রিয়াকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, ব্যক্তি বিবেচনায় তালিকা করা হলে স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই তালিকা প্রণয়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
সাবেক কাউন্সিলর আশা জানান, অতীতে লাইসেন্স প্রদানের দায়িত্বে থাকা কমিটির সভাপতি হিসেবে তিনি কাজ করেছেন। সে অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বলেন, কাগজে-কলমে শহরের ধারণক্ষমতা ৫ হাজার রিকশা দেখানো হলেও বাস্তবে দেড় লাখের বেশি রিকশা চলাচল করছে। এ অবস্থায় কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ৫ হাজারের পরিবর্তে ১০ হাজার লাইসেন্সের একটি বাস্তবসম্মত কাঠামো তৈরি করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন সিটি প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজগর হোসেন, নগর পরিকল্পনাবিদ মঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সোহেল রানা, নাগরিক আন্দোলনের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি, সাংবাদিক নেতা মাহবুবুর রহমান মাসুম, বিকেএমইএ’র সহসভাপতি মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি এবং নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক আহমেদুর রহমান তনুসহ বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিনিধি।

আপনার মতামত লিখুন