শিক্ষার্থীদের কেবল ভালো ফলাফল নয়, জ্ঞান ও দক্ষতার সমন্বয়ে বাস্তব জীবনে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে বিতর্কচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। তাঁর মতে, বিতর্ক শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর চিন্তা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং আত্মপ্রকাশের দক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সোমবার (১৫ জুন) নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী।
জেলা প্রশাসক জানান, জেলার শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সেমিনার, সপ্তাহে একদিন বিদ্যালয়ে ইংরেজিতে কথা বলার চর্চা, পাঠ্যবইয়ের বাইরের বই পড়ার প্রতিযোগিতা এবং নিয়মিত বিতর্ক আয়োজন।
তিনি বলেন, সদর উপজেলার তিনটি সংসদীয় আসনের আওতাধীন ৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবারের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। প্রতিযোগীদের তথ্যনির্ভর ও যৌক্তিক বক্তব্য উপস্থাপনের পাশাপাশি বিপক্ষের অবস্থানেও তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তি তুলে ধরার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে, যা ভবিষ্যৎ কর্মজীবনেও সহায়ক হবে।
মো. রায়হান কবিরের ভাষ্য, অল্প সময়ের মধ্যে ভালো-মন্দ বিচার করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা একজন মানুষকে সফল হতে সাহায্য করে এবং বিতর্ক সেই সক্ষমতা গড়ে তোলে। এ ধরনের চর্চা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
তিনি আরও জানান, এবারের বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে। শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা দিয়ে বর্তমান বিশ্বের বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি জীবনমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জেলা প্রশাসকের মতে, মুখস্থভিত্তিক শিক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করা গেলেও আধুনিক বিশ্বের প্রয়োজনীয় দক্ষতা না থাকলে উচ্চশিক্ষা শেষে অনেকেই কাঙ্ক্ষিত পেশায় সফল হতে পারে না। তাই সহশিক্ষা কার্যক্রমের প্রতি সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার পাশাপাশি জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও ভবিষ্যতে এ ধরনের বিতর্ক প্রতিযোগিতা সম্প্রসারণ করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন উপজেলায় ইতোমধ্যে অলিম্পিয়াড ও বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজ উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আক্তার, ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ রাজস্ব সার্কেলের কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
শিক্ষার্থীদের কেবল ভালো ফলাফল নয়, জ্ঞান ও দক্ষতার সমন্বয়ে বাস্তব জীবনে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে বিতর্কচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। তাঁর মতে, বিতর্ক শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর চিন্তা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং আত্মপ্রকাশের দক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সোমবার (১৫ জুন) নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী।
জেলা প্রশাসক জানান, জেলার শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সেমিনার, সপ্তাহে একদিন বিদ্যালয়ে ইংরেজিতে কথা বলার চর্চা, পাঠ্যবইয়ের বাইরের বই পড়ার প্রতিযোগিতা এবং নিয়মিত বিতর্ক আয়োজন।
তিনি বলেন, সদর উপজেলার তিনটি সংসদীয় আসনের আওতাধীন ৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবারের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। প্রতিযোগীদের তথ্যনির্ভর ও যৌক্তিক বক্তব্য উপস্থাপনের পাশাপাশি বিপক্ষের অবস্থানেও তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তি তুলে ধরার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে, যা ভবিষ্যৎ কর্মজীবনেও সহায়ক হবে।
মো. রায়হান কবিরের ভাষ্য, অল্প সময়ের মধ্যে ভালো-মন্দ বিচার করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা একজন মানুষকে সফল হতে সাহায্য করে এবং বিতর্ক সেই সক্ষমতা গড়ে তোলে। এ ধরনের চর্চা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
তিনি আরও জানান, এবারের বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে। শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা দিয়ে বর্তমান বিশ্বের বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি জীবনমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জেলা প্রশাসকের মতে, মুখস্থভিত্তিক শিক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করা গেলেও আধুনিক বিশ্বের প্রয়োজনীয় দক্ষতা না থাকলে উচ্চশিক্ষা শেষে অনেকেই কাঙ্ক্ষিত পেশায় সফল হতে পারে না। তাই সহশিক্ষা কার্যক্রমের প্রতি সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার পাশাপাশি জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও ভবিষ্যতে এ ধরনের বিতর্ক প্রতিযোগিতা সম্প্রসারণ করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন উপজেলায় ইতোমধ্যে অলিম্পিয়াড ও বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজ উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আক্তার, ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ রাজস্ব সার্কেলের কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন