দীর্ঘ প্রায় চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য মামলা, হয়রানি ও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার পর অবশেষে সকল মামলা থেকে মুক্তি পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সেলিম হোসেন।
বুধবার (২৪ জুন) তিনি তার বিরুদ্ধে থাকা সর্বশেষ মামলাতেও খালাস পাওয়ার পর স্বস্তির নিঃস্বাস ফেলেছেন এই কৃষকদলনেতা।
সেলিম হোসেন জানান, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে একাধিক রাজনৈতিক ও কথিত গায়েবি মামলা থেকে খালাস পেলেও এবারই প্রথম তার বিরুদ্ধে থাকা সব ধরনের মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন পর সম্পুর্ন মামলামুক্ত হয়েছেন।
পেশাগত জীবনে সেলিম হোসেন একজন আন্তঃজেলা গাড়িচালক। প্রায় ২০ বছর ধরে তিনি এই পেশার সঙ্গে জড়িত থেকে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। একইসঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম ও সাধারণ মানুষের প্রতি ভালোবাসা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।
ফতুল্লা ইউনিয়ন ছাত্রদলের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। পরে থানা যুবদলের হয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। পরবর্তীতে খালেদা-তারেক মুক্তি পরিষদের জেলা সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সেলিম হোসেনের দাবি, ১৯৯৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকে শুরু চব্বিশের৷ ৫ আগষ্ট পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে প্রায় দেড় শতাধিক মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলার মধ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগের পাশাপাশি জ্বালাও-পোড়াও এবং বিভিন্ন ধরনের হয়রানিমূলক মামলাও ছিল। তার অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনে তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মামলা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, এক সময় নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী সারাদেশের আলোচিত গডফাদার একেএম শামীম ওসমান তার নাম উল্লেখ করে ক্রসফায়ারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে নানা প্রতিকূলতা ও আইনি লড়াই মোকাবিলা করে শেষ পর্যন্ত তিনি সব মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন বলে জানান।
সকল মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সেলিম হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে মামলা আর আদালতের তারিখ আমার জীবনের অংশ হয়ে গিয়েছিল। এখন নিজেকে অনেকটা মুক্ত মনে হচ্ছে। সত্যের জয় হয়েছে বলেই আমি বিশ্বাস করি।”
রাজনৈতিক সহকর্মীদের মতে, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও মামলার বোঝা বহনের পর মামলা মুক্ত হওয়া সেলিম হোসেনের রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। তবে তিনি বিএনপির পক্ষে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্তি করেছেন।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
দীর্ঘ প্রায় চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য মামলা, হয়রানি ও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার পর অবশেষে সকল মামলা থেকে মুক্তি পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সেলিম হোসেন।
বুধবার (২৪ জুন) তিনি তার বিরুদ্ধে থাকা সর্বশেষ মামলাতেও খালাস পাওয়ার পর স্বস্তির নিঃস্বাস ফেলেছেন এই কৃষকদলনেতা।
সেলিম হোসেন জানান, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে একাধিক রাজনৈতিক ও কথিত গায়েবি মামলা থেকে খালাস পেলেও এবারই প্রথম তার বিরুদ্ধে থাকা সব ধরনের মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন পর সম্পুর্ন মামলামুক্ত হয়েছেন।
পেশাগত জীবনে সেলিম হোসেন একজন আন্তঃজেলা গাড়িচালক। প্রায় ২০ বছর ধরে তিনি এই পেশার সঙ্গে জড়িত থেকে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। একইসঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম ও সাধারণ মানুষের প্রতি ভালোবাসা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।
ফতুল্লা ইউনিয়ন ছাত্রদলের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। পরে থানা যুবদলের হয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। পরবর্তীতে খালেদা-তারেক মুক্তি পরিষদের জেলা সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সেলিম হোসেনের দাবি, ১৯৯৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকে শুরু চব্বিশের৷ ৫ আগষ্ট পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে প্রায় দেড় শতাধিক মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলার মধ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগের পাশাপাশি জ্বালাও-পোড়াও এবং বিভিন্ন ধরনের হয়রানিমূলক মামলাও ছিল। তার অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনে তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মামলা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, এক সময় নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী সারাদেশের আলোচিত গডফাদার একেএম শামীম ওসমান তার নাম উল্লেখ করে ক্রসফায়ারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে নানা প্রতিকূলতা ও আইনি লড়াই মোকাবিলা করে শেষ পর্যন্ত তিনি সব মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন বলে জানান।
সকল মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সেলিম হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে মামলা আর আদালতের তারিখ আমার জীবনের অংশ হয়ে গিয়েছিল। এখন নিজেকে অনেকটা মুক্ত মনে হচ্ছে। সত্যের জয় হয়েছে বলেই আমি বিশ্বাস করি।”
রাজনৈতিক সহকর্মীদের মতে, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও মামলার বোঝা বহনের পর মামলা মুক্ত হওয়া সেলিম হোসেনের রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। তবে তিনি বিএনপির পক্ষে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্তি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন