নারায়ণগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। মুক্তারপুর-পঞ্চবটী সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলাকরণ (এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে) প্রকল্পের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে পুরো প্রকল্পের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে। তবে এর আগেই সেপ্টেম্বর মাসে এলিভেটেড অংশটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হতে পারে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চলতি বছরের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতায় কিছুটা বিলম্ব হয়। বর্তমানে কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
প্রকল্পের ডেপুটি টিম লিডার প্রকৌশলী জহুরুল হক জানান, প্রকল্পের ৯৪ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এলিভেটেড অংশের মূল নির্মাণ শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে বিটুমিনের কাজ চলছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এ কাজ শেষ হওয়ার পর জয়েন্টিংয়ের কাজ সম্পন্ন করে সেপ্টেম্বরে দোতলা সড়ক চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো প্রকল্প শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১০ দশমিক ৩৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পে পঞ্চবটী থেকে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু পর্যন্ত ২ লেনের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নিচের সড়কের প্রশস্তকরণ, নতুন র্যাম্প, টোল প্লাজা, গোলচত্বর এবং ওজন পরিমাপ স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। নিচের সড়কে যান চলাচল উন্মুক্ত থাকলেও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারে টোল দিতে হবে।
প্রকল্পটি চালু হলে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের মধ্যে যোগাযোগ আরও দ্রুত ও সহজ হবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চল থেকে দক্ষিণাঞ্চলগামী যানবাহনের জন্য বিকল্প রুট তৈরি হবে, ফলে ঢাকার ওপর চাপ কমবে। এছাড়া ফতুল্লা বিসিক শিল্পাঞ্চল, মুক্তারপুরের শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সিমেন্ট কারখানা ও হিমাগারগুলোতে পণ্য পরিবহন আরও সহজ ও গতিশীল হবে।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। মুক্তারপুর-পঞ্চবটী সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলাকরণ (এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে) প্রকল্পের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে পুরো প্রকল্পের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে। তবে এর আগেই সেপ্টেম্বর মাসে এলিভেটেড অংশটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হতে পারে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চলতি বছরের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতায় কিছুটা বিলম্ব হয়। বর্তমানে কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
প্রকল্পের ডেপুটি টিম লিডার প্রকৌশলী জহুরুল হক জানান, প্রকল্পের ৯৪ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এলিভেটেড অংশের মূল নির্মাণ শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে বিটুমিনের কাজ চলছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এ কাজ শেষ হওয়ার পর জয়েন্টিংয়ের কাজ সম্পন্ন করে সেপ্টেম্বরে দোতলা সড়ক চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো প্রকল্প শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১০ দশমিক ৩৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পে পঞ্চবটী থেকে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু পর্যন্ত ২ লেনের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নিচের সড়কের প্রশস্তকরণ, নতুন র্যাম্প, টোল প্লাজা, গোলচত্বর এবং ওজন পরিমাপ স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। নিচের সড়কে যান চলাচল উন্মুক্ত থাকলেও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারে টোল দিতে হবে।
প্রকল্পটি চালু হলে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের মধ্যে যোগাযোগ আরও দ্রুত ও সহজ হবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চল থেকে দক্ষিণাঞ্চলগামী যানবাহনের জন্য বিকল্প রুট তৈরি হবে, ফলে ঢাকার ওপর চাপ কমবে। এছাড়া ফতুল্লা বিসিক শিল্পাঞ্চল, মুক্তারপুরের শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সিমেন্ট কারখানা ও হিমাগারগুলোতে পণ্য পরিবহন আরও সহজ ও গতিশীল হবে।

আপনার মতামত লিখুন