বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন তোলারাম কলেজ শাখার আহ্বায়ক রাইসা ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সিয়াম সরকারের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন জেলা সহ সভাপতি তাইরান আবাবিল রোজা, কলেজ শাখার সদস্য সচিব প্রত্যাশা, সদস্য আবু তালহা, সিদ্ধিরগঞ্জ শাখার আহ্বায়ক শাহীন মৃধা, নারায়ণগঞ্জ কলেজ শাখার সদস্য সচিব তাহমিদ আনোয়ার আরও উপস্থিত ছিলেন জেলার সহ সাধারণ সম্পাদক মৌমিতা নূর, নারায়ণগঞ্জ কলেজ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদী ও অপূর্ব রায়।
জেলা কমিটির সহ সভাপতি তাইরান আবাবিল রোজা তার বক্তব্যে বলেন, আজ পর্যন্ত যতগুলো ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে তার কোনোটিরই বিচার মেলেনি কারণ আমাদের দেশে আইনের ফাঁকফোকরে অপরাধী তার জবানবন্দি দেওয়ার পরেও আইনি অধিকারের যুক্তি দেখিয়ে জামিনে বের হয়ে যায় ফলে যারা ধর্ষণ করে কিংবা ধর্ষণের পরে হত্যা করে তাদের ভেতরে কোনো রুপ ভয় কাজ করে না কারণ তারা জানে কোনো রুপ বিচার হবে না তাই সবার আগে সংশোধন করতে হবে সেই আইন গুলো যেই আইন গুলো এই রাষ্ট্রে ধর্ষকের জন্ম দেয়।
সদস্য সচিব মুন্নি আক্তার প্রত্যাশা বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধ ক্রমাগত বাড়ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ আইনের প্রতি আস্থা হারিয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তরণে প্রতিটি ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করে বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।
আহ্বায়ক রাইসা ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন,
গতকালের রামিসা হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের বিচারহীনতার সংস্কৃতির ভয়াবহ রুপ! এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়! এটি আমাদের সমাজে গেঁথে বসা বিচারহীনতার সংস্কৃতির আরেকটি ভয়াবহ বহিঃপ্রকাশ
আমরা দেখেছি, একের পর এক হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন, নিপীড়নের ঘটনা ঘটে—কিন্তু বিচার হয় না হলেও তা হয় অসম্পূর্ণ। অপরাধীরা জানে—এই দেশে অপরাধ করে পার পাওয়া যায়। আর সেই বিশ্বাসই তাদের আরও হিংস্র করে তোলে।
আজ আমরা শুধু রামিসার জন্য নয়—প্রতিটি নির্যাতিত, প্রতিটি হারিয়ে যাওয়া জীবনের জন্য দাঁড়িয়েছি। আমরা বলতে চাই, এই বিচারহীনতার চক্র ভাঙতেই হবে।
রাষ্ট্রের কাছে আমাদের পরিষ্কার দাবি— দ্রুত, স্বচ্ছ এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
অপরাধীদের রাজনৈতিক, সামাজিক বা অর্থনৈতিক পরিচয় নয়—অপরাধটাই যেন বিচার নির্ধারণ করে।

শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন তোলারাম কলেজ শাখার আহ্বায়ক রাইসা ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সিয়াম সরকারের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন জেলা সহ সভাপতি তাইরান আবাবিল রোজা, কলেজ শাখার সদস্য সচিব প্রত্যাশা, সদস্য আবু তালহা, সিদ্ধিরগঞ্জ শাখার আহ্বায়ক শাহীন মৃধা, নারায়ণগঞ্জ কলেজ শাখার সদস্য সচিব তাহমিদ আনোয়ার আরও উপস্থিত ছিলেন জেলার সহ সাধারণ সম্পাদক মৌমিতা নূর, নারায়ণগঞ্জ কলেজ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদী ও অপূর্ব রায়।
জেলা কমিটির সহ সভাপতি তাইরান আবাবিল রোজা তার বক্তব্যে বলেন, আজ পর্যন্ত যতগুলো ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে তার কোনোটিরই বিচার মেলেনি কারণ আমাদের দেশে আইনের ফাঁকফোকরে অপরাধী তার জবানবন্দি দেওয়ার পরেও আইনি অধিকারের যুক্তি দেখিয়ে জামিনে বের হয়ে যায় ফলে যারা ধর্ষণ করে কিংবা ধর্ষণের পরে হত্যা করে তাদের ভেতরে কোনো রুপ ভয় কাজ করে না কারণ তারা জানে কোনো রুপ বিচার হবে না তাই সবার আগে সংশোধন করতে হবে সেই আইন গুলো যেই আইন গুলো এই রাষ্ট্রে ধর্ষকের জন্ম দেয়।
সদস্য সচিব মুন্নি আক্তার প্রত্যাশা বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধ ক্রমাগত বাড়ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ আইনের প্রতি আস্থা হারিয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তরণে প্রতিটি ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করে বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।
আহ্বায়ক রাইসা ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন,
গতকালের রামিসা হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের বিচারহীনতার সংস্কৃতির ভয়াবহ রুপ! এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়! এটি আমাদের সমাজে গেঁথে বসা বিচারহীনতার সংস্কৃতির আরেকটি ভয়াবহ বহিঃপ্রকাশ
আমরা দেখেছি, একের পর এক হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন, নিপীড়নের ঘটনা ঘটে—কিন্তু বিচার হয় না হলেও তা হয় অসম্পূর্ণ। অপরাধীরা জানে—এই দেশে অপরাধ করে পার পাওয়া যায়। আর সেই বিশ্বাসই তাদের আরও হিংস্র করে তোলে।
আজ আমরা শুধু রামিসার জন্য নয়—প্রতিটি নির্যাতিত, প্রতিটি হারিয়ে যাওয়া জীবনের জন্য দাঁড়িয়েছি। আমরা বলতে চাই, এই বিচারহীনতার চক্র ভাঙতেই হবে।
রাষ্ট্রের কাছে আমাদের পরিষ্কার দাবি— দ্রুত, স্বচ্ছ এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
অপরাধীদের রাজনৈতিক, সামাজিক বা অর্থনৈতিক পরিচয় নয়—অপরাধটাই যেন বিচার নির্ধারণ করে।

আপনার মতামত লিখুন