ছিনতাইকারীদের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় এবং মামলা নিতে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার সামনে বিক্ষোভ করেছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
রোববার (৭ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তারা থানা চত্বর ঘেরাও করে প্রতিবাদ জানান। পরে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে সরে যান।
নিহত যুবকের পরিবার দাবি করেছে, গত ৩ জুনের ঘটনার পরদিন সকালে অভিযোগ জানাতে থানায় গেলে কর্তব্যরত এক উপপরিদর্শক (এসআই) তাদের কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরিবারের ভাষ্য, পুলিশের এমন আচরণ এবং ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না করায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। এরই প্রতিবাদে সন্ধ্যায় এলাকাবাসী থানার সামনে অবস্থান নেন।
এর আগে, ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত মো. জোবায়ের (১৮) রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি পাবনা সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকার রিকশাচালক মো. জাহাঙ্গীরের ছেলে। পরিবার নিয়ে বন্দর উপজেলার এনায়েতনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ৩ জুন রাত প্রায় ৯টা ১০ মিনিটে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে এনায়েতনগর ভাঙা ব্রিজের উত্তর পাশের ঢালে তিন অজ্ঞাত ব্যক্তি তার গতিরোধ করে। একপর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে জোবায়েরকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
মামলা গ্রহণে ঘুষ দাবির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন কোনো মন্তব্য করতে চাননি। পরবর্তীতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
ছিনতাইকারীদের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় এবং মামলা নিতে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার সামনে বিক্ষোভ করেছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
রোববার (৭ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তারা থানা চত্বর ঘেরাও করে প্রতিবাদ জানান। পরে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে সরে যান।
নিহত যুবকের পরিবার দাবি করেছে, গত ৩ জুনের ঘটনার পরদিন সকালে অভিযোগ জানাতে থানায় গেলে কর্তব্যরত এক উপপরিদর্শক (এসআই) তাদের কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরিবারের ভাষ্য, পুলিশের এমন আচরণ এবং ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না করায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। এরই প্রতিবাদে সন্ধ্যায় এলাকাবাসী থানার সামনে অবস্থান নেন।
এর আগে, ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত মো. জোবায়ের (১৮) রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি পাবনা সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকার রিকশাচালক মো. জাহাঙ্গীরের ছেলে। পরিবার নিয়ে বন্দর উপজেলার এনায়েতনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ৩ জুন রাত প্রায় ৯টা ১০ মিনিটে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে এনায়েতনগর ভাঙা ব্রিজের উত্তর পাশের ঢালে তিন অজ্ঞাত ব্যক্তি তার গতিরোধ করে। একপর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে জোবায়েরকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
মামলা গ্রহণে ঘুষ দাবির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন কোনো মন্তব্য করতে চাননি। পরবর্তীতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

আপনার মতামত লিখুন