নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রদল নেতা আব্দুল কাদের জিলানী ও যুবদল নেতা মাসুম বিল্লাহর জানাজায় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতি নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) মধ্যরাতে শহরের মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে যুবদল নেতা মশিউর রহমান রনি ও ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান দোলন উপস্থিত থাকলেও জেলা ও মহানগর বিএনপির অধিকাংশ শীর্ষ নেতা কিংবা জনপ্রতিনিধিদের দেখা যায়নি।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দাবি, আব্দুল কাদের জিলানী ও মাসুম বিল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু তাদের মৃত্যুর পর সেই অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি।
জেলা ছাত্রদলের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আজ জামায়াত বা এনসিপির কেউ এভাবে মারা গেলে সবাই এক হয়ে যেত। কিন্তু আমরা তা পারলাম না। কষ্ট লাগলেও কিছু বলার নেই। মৃত্যুর পর রনি ভাই, সাখাওয়াত ভাই ও টিটু ভাই এসেছিলেন, কিন্তু জানাজায় কাউকে পেলাম না। আমাদের কোনো এমপিও আসেননি। অন্তত একজন এলেও ভালো লাগত, কেউ ফোনও দেননি।”
ছাত্রদলের আরও কয়েকজন নেতার ভাষ্য, দল ক্ষমতার বাইরে থাকাকালেও পরিবারের আপত্তি উপেক্ষা করে মাসুম ও জিলানী সংগঠনের জন্য কাজ করে গেছেন। তাই তাদের শেষ বিদায় আরও মর্যাদাপূর্ণ হওয়ার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু জানাজায় প্রত্যাশিত উপস্থিতি না থাকায় তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে জেলা ও মহানগর বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, গভীর রাতে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ায় অনেকের পক্ষেই সেখানে উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
বুধবার সকালে মাসুম বিল্লাহকে বরিশালের দশমিনায় এবং আব্দুল কাদের জিলানীকে চাঁদপুরের মতলবে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদলের অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন আব্দুল কাদের জিলানী। তার নেতৃত্বে ছাত্রদল আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখে। একই সময়ে মাসুম বিল্লাহও বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রদল নেতা আব্দুল কাদের জিলানী ও যুবদল নেতা মাসুম বিল্লাহর জানাজায় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতি নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) মধ্যরাতে শহরের মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে যুবদল নেতা মশিউর রহমান রনি ও ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান দোলন উপস্থিত থাকলেও জেলা ও মহানগর বিএনপির অধিকাংশ শীর্ষ নেতা কিংবা জনপ্রতিনিধিদের দেখা যায়নি।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দাবি, আব্দুল কাদের জিলানী ও মাসুম বিল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু তাদের মৃত্যুর পর সেই অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি।
জেলা ছাত্রদলের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আজ জামায়াত বা এনসিপির কেউ এভাবে মারা গেলে সবাই এক হয়ে যেত। কিন্তু আমরা তা পারলাম না। কষ্ট লাগলেও কিছু বলার নেই। মৃত্যুর পর রনি ভাই, সাখাওয়াত ভাই ও টিটু ভাই এসেছিলেন, কিন্তু জানাজায় কাউকে পেলাম না। আমাদের কোনো এমপিও আসেননি। অন্তত একজন এলেও ভালো লাগত, কেউ ফোনও দেননি।”
ছাত্রদলের আরও কয়েকজন নেতার ভাষ্য, দল ক্ষমতার বাইরে থাকাকালেও পরিবারের আপত্তি উপেক্ষা করে মাসুম ও জিলানী সংগঠনের জন্য কাজ করে গেছেন। তাই তাদের শেষ বিদায় আরও মর্যাদাপূর্ণ হওয়ার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু জানাজায় প্রত্যাশিত উপস্থিতি না থাকায় তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে জেলা ও মহানগর বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, গভীর রাতে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ায় অনেকের পক্ষেই সেখানে উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
বুধবার সকালে মাসুম বিল্লাহকে বরিশালের দশমিনায় এবং আব্দুল কাদের জিলানীকে চাঁদপুরের মতলবে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদলের অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন আব্দুল কাদের জিলানী। তার নেতৃত্বে ছাত্রদল আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখে। একই সময়ে মাসুম বিল্লাহও বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন